‼️ উসমানী খেলাফতবিরোধী বয়ান বদলাল সিরিয়ার পাঠ্যবই।
উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহের ইতিহাস বর্ণনায় পরিবর্তন এনেছে সিরিয়ার নতুন সরকার।
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ১৯১৬–১৯১… See more‼️ উসমানী খেলাফতবিরোধী বয়ান বদলাল সিরিয়ার পাঠ্যবই।
উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহের ইতিহাস বর্ণনায় পরিবর্তন এনেছে সিরিয়ার নতুন সরকার।
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ১৯১৬–১৯১৮ সালের আরব বিদ্রোহকে উপস্থাপনের ভাষা বদলে দেওয়া হয়েছে।
আল-শারার নতুন সরকারের আমলে প্রকাশিত এই সংস্করণে ‘মহান আরব বিদ্রোহ’ নামটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং উসমানীয় শাসনের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত তুর্কিবিরোধী ভাষা নরম করা হয়েছে।
বাশার আল-আসাদ সরকারের আমলের ২০১৭–১৮ সালের পাঠ্যবইয়ে শরিফ হুসাইনের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহের লক্ষ্য হিসেবে ‘উসমানীয় দখলদারত্ব ও ইউনিয়নিস্ট তুর্কিদের শাসন থেকে আরব ভূখণ্ডকে মুক্ত করার’ কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু নতুন বইয়ে ঘটনাটিকে ‘হুসাইন বিন আলীর বিদ্রোহ আন্দোলন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এর উদ্দেশ্য ছিল ‘আরব ভূখণ্ডকে উসমানীয় রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করা’।
এ ছাড়া পুরোনো পাঠ্যবইয়ে তুর্কিদের ‘অবিচার’ থেকে জনগণকে মুক্ত করার কথা থাকলেও নতুন সংস্করণে বলা হয়েছে, বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিল ‘অঞ্চলটি থেকে উসমানীয়দের দূর করা’।
অর্থাৎ, উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের বর্ণনায় নতুন সরকার আগের তুলনায় অনেক বেশি সংযত ভাষা ব্যবহার করেছে।
#MiddleEast#syria#usmaniya#assidqnews#news
তেলের জন্য নাইজারে সেনা পাঠাচ্ছে আলজেরিয়া
নাইজারের তেল ও জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৫৩ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদেশে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিল আলজেরিয়ার পার্লামেন্ট।
প্রায় ৫… See moreতেলের জন্য নাইজারে সেনা পাঠাচ্ছে আলজেরিয়া
নাইজারের তেল ও জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৫৩ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদেশে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিল আলজেরিয়ার পার্লামেন্ট।
প্রায় ৫৩ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদেশে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে আলজেরিয়া। দেশটির পার্লামেন্ট নাইজারে সেনা পাঠানোর প্রস্তাবে সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন দিয়েছে। ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় মিসরকে সহায়তা করতে সেনা পাঠানোর পর এটিই আলজেরিয়ার প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশি সেনা মোতায়েনের উদ্যোগ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আলজেরিয়ার সেনারা উত্তর নাইজারের মাদামা এলাকায় মোতায়েন হবেন। এলাকাটি লিবিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত। সেখানে আগে ফ্রান্সের একটি সামরিক ঘাঁটি ছিল।
তেল স্থাপনা রক্ষায় সেনা মোতায়েন
আলজেরিয়ার এই অভিযানের মূল লক্ষ্য নাইজারে গুরুত্বপূর্ণ তেল ও জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এর মধ্যে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি সোনাত্রাকের কাফরা তেল প্রকল্পও রয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এই মিশন মূলত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য; সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়া এর উদ্দেশ্য নয়।
নাইজারের সামরিক সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার
২০২৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নাইজারের বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসে। এরপর দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা কমেছে। নাইজারের সামরিক সরকারকে হেলিকপ্টারসহ সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তাও করেছে আলজেরিয়া।
সাহেল অঞ্চলে নিরাপত্তা সংকট ও সীমান্তপারের সংঘাতের মধ্যে আলজেরিয়ার এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে নাইজারে দেশটির সামরিক উপস্থিতি বাড়বে এবং লিবিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
#Niger#Algeria#assidqnews#news#Africa
সিরিয়ার স্কুলের নতুন পাঠ্য বইতে জিহাদ, ফিদায়িন, মুসলিম উম্মাহ, শহীদ, ইসলামী মূল্যবোধ, বিয়ে ও হিজাবের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে ফিলিস্তিনের ইন্তিফাদা, প্রতিরোধ আন্দোলন … See moreসিরিয়ার স্কুলের নতুন পাঠ্য বইতে জিহাদ, ফিদায়িন, মুসলিম উম্মাহ, শহীদ, ইসলামী মূল্যবোধ, বিয়ে ও হিজাবের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে ফিলিস্তিনের ইন্তিফাদা, প্রতিরোধ আন্দোলন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা রাখা হয়েছে।
#Syria#assidqnews#news
সিরিয়ার নতুন তৃতীয় শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা বইয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, শিক্ষার লক্ষ্য শিশুদের ‘দেশের সেবা’ করার জন্য প্রস্তুত করা নয়; বরং ‘ধর্ম ও উম্মাহর সেবা’ করার জন্য গড়ে তোলা। এখানে উম্ম… See moreসিরিয়ার নতুন তৃতীয় শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা বইয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, শিক্ষার লক্ষ্য শিশুদের ‘দেশের সেবা’ করার জন্য প্রস্তুত করা নয়; বরং ‘ধর্ম ও উম্মাহর সেবা’ করার জন্য গড়ে তোলা। এখানে উম্মাহ বলতে সামগ্রিক মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বোঝানো হয়েছে।
আবার ষষ্ঠ শ্রেণির একটি পাঠে শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে, ‘বিশ্বাসঘাতকতা ও পেছন থেকে ছুরি মারা ইহুদিদের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পড়ে।’
#Syria#assidqnews#news
📌 গাজায় ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত, এতিম ৬০ হাজার
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ৬০ হাজার শিশু তাদের মা, বাবা কিংবা উভয়কেই হারিয়ে এ… See more📌 গাজায় ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত, এতিম ৬০ হাজার
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে ২০ হাজারের বেশি শিশু নিহত হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ৬০ হাজার শিশু তাদের মা, বাবা কিংবা উভয়কেই হারিয়ে এতিম হয়ে পড়েছে।
এই যুদ্ধে শিশুদের শৈশব কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য পরিবারকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। যেসব মানুষের স্নেহ, ভালোবাসা ও হাত ধরে শিশুদের বেড়ে ওঠার কথা, তাদের হারিয়ে হাজার হাজার শিশু এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি।
এরই মধ্যে এগিয়ে আসছে শীতকাল। বাস্তুচ্যুতি, চরম দুর্দশা ও মানবেতর জীবনযাপনের কারণে এসব এতিম শিশুর বেঁচে থাকাও কঠিন হয়ে উঠছে। নিরাপদ আশ্রয় ও মৌলিক সুযোগ-সুবিধার সংকটের মধ্যে শীতের তীব্রতা তাদের জীবনধারণের সম্ভাবনাকেও আরও হুমকির মুখে ফেলছে।
#gaza#assidqnews#news
📌 উচ্ছেদের মুখে ৪৭ ফিলিস্তিনি পরিবার।
➡️ অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে রাস আল-আহমার এলাকাটি টানা ২৭ দিন ধরে অবরুদ্ধ করে রেখেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।
এলাকাটির সঙ্গে আশপাশের যোগাযোগের সড়কগুলোও … See more📌 উচ্ছেদের মুখে ৪৭ ফিলিস্তিনি পরিবার।
➡️ অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে রাস আল-আহমার এলাকাটি টানা ২৭ দিন ধরে অবরুদ্ধ করে রেখেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।
এলাকাটির সঙ্গে আশপাশের যোগাযোগের সড়কগুলোও বন্ধ করে দিয়ে সেখানকার ৪৭টি ফিলিস্তিনি পরিবারকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তারা।
➡️ ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থা 'আল-বায়দার এর প্রধান হাসান জানান,
দীর্ঘ সড়ক অবরোধের কারণে এই ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
➡️ উল্লেখ্য, গত তিন বছর ধরে এলাকাটিতে বিধিনিষেধ ক্রমাগত বাড়াতে থাকে ইসরায়েল। আর সম্প্রতি তা মারাত্মক রূপ নেয়। গত সেপ্টেম্বর ওই এলাকায় চলাচলের জন্য কেবল একটি পথ বাকি ছিল সেটিও পরিখা খনন করে বন্ধ করে দেয় তারা , ফলে সম্পূর্ণ অঞ্চলটিই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।
➡️ ফিলিস্তিনি কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশনের হিসাবে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীরে ১৪ হাজার ৭৪২টির বেশি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি দখলদাররা। এসব হামলায় অন্তত ৬৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
## নিয়মিত আপডেট পেতে ফলো করে সাথে থাকুন।
#middleeast#assidqnews#news#Palestine
ইরানের প্রতি আফগানদের সমর্থনের প্রশংসা, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘দ্বিচারিতার’ অভিযোগ
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘাত চলাকালে ইরানের প্রতি আফগানিস্তানের সমর্থনের প্রশংসা করেছেন দেশটির সংসদের অর্থনৈতিক কমিশনে… See moreইরানের প্রতি আফগানদের সমর্থনের প্রশংসা, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘দ্বিচারিতার’ অভিযোগ
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘাত চলাকালে ইরানের প্রতি আফগানিস্তানের সমর্থনের প্রশংসা করেছেন দেশটির সংসদের অর্থনৈতিক কমিশনের প্রধান মোহসেন জাঙ্গানেহ। একই সঙ্গে সংকটের সময় পাকিস্তানের ভূমিকার সমালোচনা করে দেশটির বিরুদ্ধে ‘দ্বিচারিতার’ অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) আরিয়ানা নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
জাঙ্গানেহ দাবি করেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চলাকালে পাকিস্তানের সংসদীয় স্পিকারের নামে প্রকাশিত একটি পোস্ট মূলত আমেরিকানরা লিখেছিলেন। ইরানি এই আইনপ্রণেতার দাবি, পোস্টটি তৈরির পেছনে আমেরিকার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ভূমিকা ছিল।
পাকিস্তানের কথিত এই আচরণকে ‘দ্বিচারিতা’ আখ্যা দিয়ে জাঙ্গানেহ ইরানের প্রতি আফগান জনগণের বন্ধুত্ব ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জাঙ্গানেহর বক্তব্যে ইরান-আমেরিকার সংঘাতকে ঘিরে আঞ্চলিক দেশগুলোর ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে।
সূত্র : আরিয়ানা নিউজ
#assidqnews#news#iran#Pakistan#Afghanistan
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তানের মিত্র’ আখ্যা দিয়ে লড়াইয়ের হুমকি আশ-শাবাবের:
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তানের মিত্রদের’ অন্যতম আখ্যা দিয়ে দেশটির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে সোমালিয়াভিত্তিক সশস্… See moreযুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তানের মিত্র’ আখ্যা দিয়ে লড়াইয়ের হুমকি আশ-শাবাবের:
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তানের মিত্রদের’ অন্যতম আখ্যা দিয়ে দেশটির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে সোমালিয়াভিত্তিক সশস্ত্র জিহাদি সংগঠন আশ-শাবাব। সংগঠনটির অন্যতম নেতা শায়খ হুসেইন ফিদো হাফি. হাওয়াদলে গোত্রের সঙ্গে সম্পাদিত একটি চুক্তি উপলক্ষে আয়োজিত সমাপনী সম্মেলনে এ বক্তব্য দেন।
হুসেইন ফিদো হাফি. বলেন সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে আশ-শাবাবকে দমন করতে এবং সংগঠনটির ওপর ঔপনিবেশিক নীতি চাপিয়ে দিতে ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র আশ-শাবাব ও সোমালিয়ার বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে বিরোধ উসকে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হাওয়াদলে গোত্রের ক্ষোভ ও অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে তাদের প্রতিনিধিদের আশ-শাবাবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সম্পৃক্ত করেছিল এবং এ নিয়ে প্রকাশ্যে গর্ব করেছিল। তবে হাওয়াদলে গোত্র পরিস্থিতি উপলব্ধি করে নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেয়, যা আশ-শাবাব স্বাগত জানিয়েছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের সেই গর্ব থেমে যায় এবং দেশটি অপমানের মুখে পড়ে বলে তিনি দাবি করেন।
শায়খ ফিদো আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরাক ও সিরিয়ায় গঠিত বাহিনীগুলোর আদলে সোমালিয়ায় মিলিশিয়া ও ‘সাহওয়া’ বাহিনী গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি, দেশটির সংসদ ও আঞ্চলিক প্রশাসনে বিভিন্ন পক্ষের নতুন নেতাদের প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে। এসব পরিকল্পনার ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এসব সংঘাত এবং গোত্রগুলোকে ব্যবহারের উদ্দেশ্য হলো শরিয়াহ প্রতিষ্ঠায় বাধা দেওয়া এবং আশ-শাবাবের যোদ্ধাদের পরোক্ষ যুদ্ধে জড়িয়ে রাখা। এ ধরনের সংঘাতে সোমালিয়ার মুসলিম গোত্রগুলোকে আশ-শাবাবের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র অতীতেও বিভিন্ন মুসলিম দেশে একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করেছে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে শায়খ ফিদো বলেন, সোমালিয়ার মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং ব্যাপক সংঘাত উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেও যুক্তরাষ্ট্র সফল হতে পারবে না। আশ-শাবাব তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে দেবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি আরও বলেন, আশ-শাবাবের যোদ্ধারা এক হাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই করবে এবং অন্য হাতে নিজেদের সম্প্রদায়কে সঠিক পথের নির্দেশনা দেবে।
এ সময় হাওয়াদলে গোত্রকে আশ-শাবাবের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান শায়খ ফিদো। বিভেদ সৃষ্টিকারীদের মোকাবিলা এবং সোমালিয়ায় প্রবেশ করে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে শহরগুলো দখলে রাখা বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার ওপরও জোর দেন তিনি।
চুক্তি সম্পাদন এবং এ পথে সৃষ্ট বাধা অতিক্রম করার জন্য হাওয়াদলে গোত্র ও তাদের প্রবীণ নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আশ-শাবাবের এই নেতা। তিনি জানান, আশ-শাবাব চুক্তি অনুযায়ী নিজেদের অঙ্গীকার পূরণ করবে। একই সঙ্গে হাওয়াদলে গোত্রকে চুক্তি মেনে চলা এবং তাদের প্রতিনিধিদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার প্রচেষ্টা সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
#somalia#assidqnews#news#ashshabab#usa
‼️ গত তিন বছরে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ৬২ হাজারের বেশি হামলা করেছে ইসরায়েল
♦️ একটি ফিলিস্তিনি কমিশনের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দখলকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি নাগরিক ও তাদের সম্… See more‼️ গত তিন বছরে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ৬২ হাজারের বেশি হামলা করেছে ইসরায়েল
♦️ একটি ফিলিস্তিনি কমিশনের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দখলকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি নাগরিক ও তাদের সম্পদের ওপর ৬২ হাজার ৯১৬টি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী ও দখলদারেরা।
♦️ এসব হামলায় ১ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি গাছ উপড়ে ফেলা বা ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে লক্ষাধিকই জলপাই গাছ।
♦️ ফিলিস্তিনিদের জমি ও সম্পদে অগ্নিসংযোগের ১ হাজার ১৮২টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে কমিশনটি।
♦️ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ১ হাজার ৮১৪টি ধ্বংসাভিযান চালিয়েছে। এর ফলে ১ হাজার ৮৯৪টি বসতবাড়িসহ মোট ৫ হাজার ৫৯টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
♦️ প্রায় ৬৪ হাজার ২০০ দুনাম (প্রায় ৬৫ বর্গ কিলোমিটার) ফিলিস্তিনি জমি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং ২১১টি নতুন বসতি স্থাপনের চেষ্টা চালানো হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
#MiddleEast#Palestine#assidqnews#news#Israel
Log In to leave a comment.