"মানুষের সাহচর্য সেভাবে গ্রহণ কর যেভাবে আগুনের কাছে যেয়ে থাক। (অর্থাৎ) এর উপকার গ্রহণ করে তবে সতর্ক থাকো যেন তা তোমায় পুড়িয়ে দিতে না পারে"।
.
~ ইমাম শাকীক আল বালখী [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নুআইম আল আসব… See more"মানুষের সাহচর্য সেভাবে গ্রহণ কর যেভাবে আগুনের কাছে যেয়ে থাক। (অর্থাৎ) এর উপকার গ্রহণ করে তবে সতর্ক থাকো যেন তা তোমায় পুড়িয়ে দিতে না পারে"।
.
~ ইমাম শাকীক আল বালখী [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নুআইম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৮/৭৭]
‼️ উসমানী খেলাফতবিরোধী বয়ান বদলাল সিরিয়ার পাঠ্যবই।
উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহের ইতিহাস বর্ণনায় পরিবর্তন এনেছে সিরিয়ার নতুন সরকার।
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ১৯১৬–১৯১… See more‼️ উসমানী খেলাফতবিরোধী বয়ান বদলাল সিরিয়ার পাঠ্যবই।
উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহের ইতিহাস বর্ণনায় পরিবর্তন এনেছে সিরিয়ার নতুন সরকার।
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ১৯১৬–১৯১৮ সালের আরব বিদ্রোহকে উপস্থাপনের ভাষা বদলে দেওয়া হয়েছে।
আল-শারার নতুন সরকারের আমলে প্রকাশিত এই সংস্করণে ‘মহান আরব বিদ্রোহ’ নামটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং উসমানীয় শাসনের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত তুর্কিবিরোধী ভাষা নরম করা হয়েছে।
বাশার আল-আসাদ সরকারের আমলের ২০১৭–১৮ সালের পাঠ্যবইয়ে শরিফ হুসাইনের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহের লক্ষ্য হিসেবে ‘উসমানীয় দখলদারত্ব ও ইউনিয়নিস্ট তুর্কিদের শাসন থেকে আরব ভূখণ্ডকে মুক্ত করার’ কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু নতুন বইয়ে ঘটনাটিকে ‘হুসাইন বিন আলীর বিদ্রোহ আন্দোলন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এর উদ্দেশ্য ছিল ‘আরব ভূখণ্ডকে উসমানীয় রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করা’।
এ ছাড়া পুরোনো পাঠ্যবইয়ে তুর্কিদের ‘অবিচার’ থেকে জনগণকে মুক্ত করার কথা থাকলেও নতুন সংস্করণে বলা হয়েছে, বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিল ‘অঞ্চলটি থেকে উসমানীয়দের দূর করা’।
অর্থাৎ, উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের বর্ণনায় নতুন সরকার আগের তুলনায় অনেক বেশি সংযত ভাষা ব্যবহার করেছে।
#MiddleEast#syria#usmaniya#assidqnews#news
২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া ফিলিস্তিনি তরুণ নুর আল-দীন মুহাম্মাদ আল-জামাসি হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এন্ড ইকোনমিক্স-এ পড়াশোনা করছিলেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরদিনই… See more২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া ফিলিস্তিনি তরুণ নুর আল-দীন মুহাম্মাদ আল-জামাসি হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এন্ড ইকোনমিক্স-এ পড়াশোনা করছিলেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরদিনই (৮ অক্টোবর) তিনি তাঁর নিশ্চিত ও নিরাপদ জীবন এবং উচ্চশিক্ষা ত্যাগ করে যুদ্ধকবলিত গাজা উপত্যকায় ফিরে আসেন।
গাজায় ফিরে তিনি আল-কাসসাম ব্রিগেড-এ যোগ দেন এবং ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন।
নূর আল-দীনের বাবা ছিলেন হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর একজন সদস্য। ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ নূর আল-দীনের পুরো পরিবার ইসরায়েলি হামলায় হত্যার শিকার হয়।
২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর — ঠিক গাজায় ফিরে আসার দুই বছরের মাথায় — দক্ষিণ গাজার নেতজারিম করিডোরের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে নূর আল-দীন শহীদ হন।
রাহিমাহুল্লাহ 🍃
Log In to leave a comment.