প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ত্রাত্তরের বক্তব্যে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
সম্প্রতি বুর্কিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ত্রাত্তরে এক বৈঠকে বলেছেন, "যাদের নিকটে দেশের চেয়ে ইসলাম বড়, তারা এই দেশ ছেড়ে চলে যাও।"
… See moreপ্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ত্রাত্তরের বক্তব্যে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
সম্প্রতি বুর্কিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ত্রাত্তরে এক বৈঠকে বলেছেন, "যাদের নিকটে দেশের চেয়ে ইসলাম বড়, তারা এই দেশ ছেড়ে চলে যাও।"
ইব্রাহিম ত্রাত্তরেকে অনেকেই ইসলামের মহান নেতা মনে করেন। তারা আসলে বাস্তবতা জানেন না। তিনি স্বার্থের কারণে পশ্চিমবিরোধী, কিন্তু তিনি রাশিয়ান পুতুল এবং সেকুলার। এসব বিষয় আপনাদের জানাটা জরুরি।
সম্প্রতি বুর্কিনা ফাসোতে ইব্রাহিম ত্রাত্তরে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকেও স্বাগত জানিয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলছেন। এসব কারণে বিশ্লেষকগণ বলেছেন, জিহাদীরা এখন থেকে আরও বড় আকারে অভিযান শুরু করবে বুর্কিনা ফাসোতে।
ছবি: ইসরায়েলের নতুন রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম ত্রাত্তরের নিকট তাঁর পরিচয়পত্র হস্তান্তর করছেন।
#mar
আজানের জন্য ২২ জন মুসলিমকে শহিদ
করেছে ভারত,হ্যা ঠিকই শুনেছেন শুধুমাত্র আজানের কারণেই।
জানেন কী এই ছবির ইতিহাস?
তরুণরা এসব না জানলেও মেসি-নেইমারদের ইতিহাস ঠিকই জানে।
আজ থেকে ৯৫ বছর আগে,১৩ জুলা… See moreআজানের জন্য ২২ জন মুসলিমকে শহিদ
করেছে ভারত,হ্যা ঠিকই শুনেছেন শুধুমাত্র আজানের কারণেই।
জানেন কী এই ছবির ইতিহাস?
তরুণরা এসব না জানলেও মেসি-নেইমারদের ইতিহাস ঠিকই জানে।
আজ থেকে ৯৫ বছর আগে,১৩ জুলাই ১৯৩১,কাশ্মীরের ইতিহাসে লেখা হয়েছিল এক রক্তাক্ত অধ্যায়।
হেদু রাজার জুলুমের প্রতিবাদ করায় আব্দুল কাদীর রহি. কে ফাঁসি দিচ্ছিল রাজা,
সেই বিচার দেখতে শ্রীনগর জেলখানার সামনে জড়ো হয়েছিলেন হাজারো মুসলিম।
সেদিনের সেই জনসমুদ্র শুধু একজন মানুষের বিচার দেখতে আসেনি—তারা এসেছিল নিজেদের অধিকার,মর্যাদা ও ন্যায়ের দাবিতে।
যোহরের সময় হলো।
একজন উঠে আজান দিতে লাগলেন থানা প্রাঙ্গনে,
কিন্তু গুলির শব্দে থেমে গেল তার কণ্ঠ।
তিনি রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন।
তারপর আরেকজন এগিয়ে এলেন,অসমাপ্ত আজান পূর্ণ করার প্রত্যয়ে।তিনিও গুলির শিকার হলেন।এভাবেই একের পর এক মানুষ এগিয়ে এসেছিলেন আজান পূর্ণ করতে,আর তাদের আত্মত্যাগে রচিত হয়েছিল ২২ শহীদের বেদনাময় স্মৃতি।
তাদের রক্তের কাহিনি আজও কাশ্মীরের ইতিহাসে একটি গভীর ক্ষত ও স্মৃতির প্রতীক হয়ে আছে।
১৩ জুলাই ১৯৩১—একটি দিন,যা ইতিহাসের পাতায় বেদনা,সাহস ও আত্মত্যাগের সাক্ষ্য হয়ে রয়ে গেছে।
ইন্না-লিল্লাহ!এই মুহুর্তে এটার চেয়ে বড় কোনো ইস্যু হতে পারে না! প্রত্যেকে এই বিষয়ে কথা বলুন!
নাটক সাজানোর আগেই এই ষড়যন্ত্র ধূলিস্যাৎ করে দিন।সবাই কপি,পোস্ট,শেয়ার,রিপোস্ট, রিরাইট করে প্রকত তথ্য তুলে… See moreইন্না-লিল্লাহ!এই মুহুর্তে এটার চেয়ে বড় কোনো ইস্যু হতে পারে না! প্রত্যেকে এই বিষয়ে কথা বলুন!
নাটক সাজানোর আগেই এই ষড়যন্ত্র ধূলিস্যাৎ করে দিন।সবাই কপি,পোস্ট,শেয়ার,রিপোস্ট, রিরাইট করে প্রকত তথ্য তুলে ধরুন।
চারজন নওমুসলিমা বোন ও একজন নওমুসলিম দা'ঈ ভাইয়ের পাশে দাঁড়ান।
আমার বন্ধু নওমুসলিম Abdullah Sujit মানুষের বিপদে যে সর্বদা সবার আগে ছুটে যায়। গতকাল রাতে ই[স্ক]নের ইন্ধনে ওকে এবং আরও চারজন নওমুসলিমা বোনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। নওমুসলিমা বোনেরা সাভারে একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত।ঘটনাটা সাভারের।
কিন্তু সাভার থানা জানে না।
যারাই নিয়ে যাক, শোনা যাচ্ছে এটার সাথে প্রত্যক্ষভাবে বেলকুচি থানার একজন এসআইও জড়িত। যারাই জড়িত থাকুক,২৪ এর বাংলা তো মগের মুল্লুক না।ডিল্লির ই[স্ক]ন**কে এখানে এভাবে ফুটবল খেলতে দেওয়া হবে না৷
সবাই সোচ্চার হয়ে উঠুন।আমার বোনের জন্য, আপনার বোনের জন্য সোচ্চার হয়ে উঠুন।
- Hafiz Al Munadi হাফি. থেকে সংগৃহিত।
কাশ্মীর শহীদ দিবস
৯৫ বছর আগের এই দিনে (১৩ই জুলাই ১৯৩১) কাশ্মীরী নেতা আবদুল কাদিরের উপর আরোপিত প্রহসন ও লজ্জাজনক বিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় শ্রীনগর কেন্দ্রীয় কারাগারের বাইরে ডোগরা মহারাজার সৈন্… See moreকাশ্মীর শহীদ দিবস
৯৫ বছর আগের এই দিনে (১৩ই জুলাই ১৯৩১) কাশ্মীরী নেতা আবদুল কাদিরের উপর আরোপিত প্রহসন ও লজ্জাজনক বিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় শ্রীনগর কেন্দ্রীয় কারাগারের বাইরে ডোগরা মহারাজার সৈন্যরা ২২ জন কাশ্মীরী মুসলিমকে গুলি করে হত্যা করেছিল।
এই দিনটিকে কাশ্মীরী মুসলিমরা ❛শহীদ দিবস❜ হিসেবে পালন করেন।
#KashmirMartyrsDay#Srinagar#Kashmir
Log In to leave a comment.