২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া ফিলিস্তিনি তরুণ নুর আল-দীন মুহাম্মাদ আল-জামাসি হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এন্ড ইকোনমিক্স-এ পড়াশোনা করছিলেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরদিনই… See more২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া ফিলিস্তিনি তরুণ নুর আল-দীন মুহাম্মাদ আল-জামাসি হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এন্ড ইকোনমিক্স-এ পড়াশোনা করছিলেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরদিনই (৮ অক্টোবর) তিনি তাঁর নিশ্চিত ও নিরাপদ জীবন এবং উচ্চশিক্ষা ত্যাগ করে যুদ্ধকবলিত গাজা উপত্যকায় ফিরে আসেন।
গাজায় ফিরে তিনি আল-কাসসাম ব্রিগেড-এ যোগ দেন এবং ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন।
নূর আল-দীনের বাবা ছিলেন হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর একজন সদস্য। ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ নূর আল-দীনের পুরো পরিবার ইসরায়েলি হামলায় হত্যার শিকার হয়।
২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর — ঠিক গাজায় ফিরে আসার দুই বছরের মাথায় — দক্ষিণ গাজার নেতজারিম করিডোরের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে নূর আল-দীন শহীদ হন।
রাহিমাহুল্লাহ 🍃
১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট রবীন্দ্রনাথের মৃত্যু সংবাদে জায়নবাদী সংবাদপত্র জুইশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সির শিরোনাম ছিলো:
“ইহুদী ও জায়নবাদের বন্ধু রবীন্দ্রনাথ কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেছেন।”
এছাড়া রবীন্দ্রনাথ বলেন,… See more১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট রবীন্দ্রনাথের মৃত্যু সংবাদে জায়নবাদী সংবাদপত্র জুইশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সির শিরোনাম ছিলো:
“ইহুদী ও জায়নবাদের বন্ধু রবীন্দ্রনাথ কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেছেন।”
এছাড়া রবীন্দ্রনাথ বলেন, ❝আমি সম্মান করি জায়নবাদী আর্দশকে। যারা এর জন্য কাজ করেন, প্রশংসা করি তাদের নিঃস্বার্থ অবস্থানকে।❞
১৯৩০ সালের নভেম্বরে কানাডার টরন্টো থেকে প্রকাশিত ইহুদি সংবাদপত্র দ্য জুইশ স্ট্যান্ডার্ড–এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ মন্তব্য করেন।
সূত্র: The Jewish Standard, Toronto, November 1930; প্রথম আলো, ‘আরব–ইহুদি সমস্যা নিয়ে যা বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ’, ২০ অক্টোবর ২০২৩।
তারপরও যেসব নামধারী মুসলমানরা এরপরও রবীন্দ্রনাথের বন্দনা করে তারা একেকজন ইহুদীর অনুসারী!!
#মধ্যপ্রাচ্য
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন এমন একজন শাসক ও নেতা, যিনি সামনে থাকা ব্যক্তিদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারতেন। তিনি তাদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতেন। তাদের দক্ষতা কিংবা দূর্বলতার দিক ছিল … See moreনবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন এমন একজন শাসক ও নেতা, যিনি সামনে থাকা ব্যক্তিদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারতেন। তিনি তাদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতেন। তাদের দক্ষতা কিংবা দূর্বলতার দিক ছিল তাঁর কাছে স্পষ্ট। হুদাইবিয়ার সন্ধির সময় সুহাইল বিন আমরকে দেখেই নবিজি বলেছিলেন, তোমাদের জন্য তোমাদের কাজ সহজ হয়ে গেল। কুরাইশরা সন্ধি করতে চায় তাই তারা তাকে পাঠিয়েছে।
নবিজি সুহাইল বিন আমরের ভূমিকা সম্পর্কে জানতেন, কুরাইশদের মাঝে তার অবস্থান সম্পর্কেও তিনি ছিলেন অবগত। এই ঘটনার আলোকে আমরা নিজেদের একটি প্রশ্ন করতে পারি, আজকের সমাজে দাঈ ও সংস্কারকদের কতজন তার এলাকার পুলিশ অফিসার, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষক কিংবা অন্য গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের স্বভাব চরিত্র ও কর্মকান্ড সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন? কতজন এমন আছেন যারা এসব ব্যক্তির মনোভাব বুঝতে পেরে তার সাথে সঠিক আচরণ করতে পারেন? আমরা কোনো সমঝোতার কথা বলছি না, বরং আমরা সেই প্রজ্ঞার কথা বলছি, যা নবিজি দাওয়াতের ক্ষেত্রে কাজে লাগিয়েছেন।
বহুবার এমন হয়েছে সঠিক ব্যক্তিকে ভুল পদ্ধতিতে দাওয়াত দেয়ার কারণে তিনি দাওয়াত থেকে দুরে সরে গিয়েছেন এমনকি দাওয়াতের শত্রু হয়ে উঠেছেন। ফলে দাঈদের উচিত নবিজির সিরাত থেকে এই দক্ষতাগুলো অর্জনের গুরুত্ব অনুধাবন করা যা তাদের দাওয়াতকে বেগবান করবে।
হাযিম সলাহ আবু ইসমাইল
*ইমরান রাইহান ভাইয়ের পোষ্ট থেকে
বাইতুল মুকাদ্দাস মুক্তির দিন
১১৮৭ সালের এই দিনে (২রা অক্টোবর) সালাহউদ্দিন আল-আইয়ুবী [রহি.] জেরুজালেমকে ক্রুসেডারদের হাত থেকে মুক্ত করেন। সেই সাথে অবসান ঘটে মুসলিমদের উপর ক্রুসেডারদের চালানো ৮৮ বছরে… See moreবাইতুল মুকাদ্দাস মুক্তির দিন
১১৮৭ সালের এই দিনে (২রা অক্টোবর) সালাহউদ্দিন আল-আইয়ুবী [রহি.] জেরুজালেমকে ক্রুসেডারদের হাত থেকে মুক্ত করেন। সেই সাথে অবসান ঘটে মুসলিমদের উপর ক্রুসেডারদের চালানো ৮৮ বছরের নির্মম অত্যাচারের।
বিচ্ছিন্ন একটি ভূখণ্ড। চারপাশের মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলো থেকে হাজার মাইল দূরে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট একটা দেশ। আর তার চারপাশটা ঘিরে রেখেছে D|রত নামের এক বিষাক্ত সাপ, যা যেকোনো মুহূর্তে ছোবল মারার জন্য ফণা … See moreবিচ্ছিন্ন একটি ভূখণ্ড। চারপাশের মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলো থেকে হাজার মাইল দূরে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট একটা দেশ। আর তার চারপাশটা ঘিরে রেখেছে D|রত নামের এক বিষাক্ত সাপ, যা যেকোনো মুহূর্তে ছোবল মারার জন্য ফণা তুলে আছে।
.
আক্ষরিক অর্থেই ওরা ওদের সব ব্লু-প্রিন্ট আর প্রস্তুতি অনেক আগেই সম্পূর্ণ করে রেখেছে। এখন ওরা স্রেফ ওত পেতে আছে একটি বিশেষ মুহূর্তের, একটা মোক্ষম সুযোগের।
.
'বন্ধু' মুখোশধারী চিরশত্রু আর ঘরের ভেতরের মুনাফিকদের ক্রমাগত আগ্রাসন ও ষড়যন্ত্রের শিকার আমি এক বাঙালি। আপাতদৃষ্টিতে হয়তো আমার চিন্তিত হওয়া উচিত ছিল। হওয়াটা স্বাভাবিকও ছিল, কারণ প্রায় ৩০০ বছর আগেই তো মীরজাফরদের হাত ধরে আমার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়েছিল।
.
কিন্তু ওরা ভুলে গেছে আমি যে আগে মুসলিম, তারপর বাঙালি! তাই আমি আজ চিন্তিত নই, শঙ্কিত নই। বরং শত বছরের অন্যায়ের চরম প্রতিশোধের এক তীব্র নেশায় আমি আজ বুঁদ হয়ে আছি। এতটা কাল ধরে এই মাটির বুকে ওরা যে জুলুমের রাজত্ব চালিয়েছে, তার প্রতিটা হিসাব এবার কড়ায়-গণ্ডায় নেওয়া হবে।
.
ওরা কার সাথে টক্কর দিতে এসেছে, ওরা কি তা জানে? আমি সিন্ধু বিজয়ী মুহাম্মদ বিন কাসিমের ভাই। আমি এই পলল ভূমি কাঁপানো শাহজালালের পোলা। আমি মালিক আল-গাজী ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির সেই ১৭ অশ্বারোহী সৈন্যের উত্তরাধিকারী, যার ক্ষিপ্রতার সামনে লক্ষণ সেনের সিংহাসন ধুলোয় মিশে গিয়েছিল।
.
আমরা এই মাটির সন্তান, আমরা কোথা থিকা ভাইসা আসি নাই। মনে রাখিস, এবার যদি তিতুমীরের কেল্লা গড়তে হয় তবে তা বাঁশ দিয়ে নয়, তা তৈরি হবে লৌহ আর ইস্পাত দিয়ে।
.
তাই সাবধান! লক্ষণ সেনের চ্যালারা, তোরা সাবধান হয়ে যা! এই পলিমাটির প্রতিটা ইঞ্চি, প্রতিটা ধূলিকণা আমাদের। এই দেশ, এই আকাশ, এই নদী আমাদের। এইডা আমাদের বাপ-দাদার ভিটা।
.
আমরা ভুলে যাইনি ব্রিটিশদের বুট চেটে আমাদের পিঠে ছুরি মারার তোদের সেই ঘৃণ্য চামচামির ইতিহাস। আমরা ভুলিনি কাঁটাতারে ঝুলে থাকা আমাদের বোন ফেলানীর সেই নিথর দেহ। আমরা ভুলে যাইনি পিলখানার সেই নৃশংস ট্রাজেডি। আর আবরার ফাহাদ তো আমাদের বুকে জ্বলতে থাকা এক অবিনাশী অগ্নিশিখা, আমাদের অনন্ত প্রেরণা।
.
আমাদের সীমান্তে ঝরা প্রতিটা ফোঁটা রক্তের ঋণ তোদের শোধ করতেই হবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা প্রস্তুত। তোদের সাম্রাজ্যের শেষের শুরুটা এবার এই আমাদের হাত ধরেই হবে। আয় তোরা!..
- সুমন আহমাদ
Log In to leave a comment.