পাত্র চাই, মেয়ে উচ্চশিক্ষিত,হিজাব পড়ে, হাতমোজাও পড়ে,পাশাপাশি হিন্দু বয়ফ্রেন্ডের সাথে, নির্জনে হোটেলে গ্রুপ স্টাডিও করে,
কোনো দ্বীনদার পাত্র থাকলে জানাতে পারেন,
তবে কাবিন কিন্তু ১২ লাখ
এভাবেই ভ… See moreপাত্র চাই, মেয়ে উচ্চশিক্ষিত,হিজাব পড়ে, হাতমোজাও পড়ে,পাশাপাশি হিন্দু বয়ফ্রেন্ডের সাথে, নির্জনে হোটেলে গ্রুপ স্টাডিও করে,
কোনো দ্বীনদার পাত্র থাকলে জানাতে পারেন,
তবে কাবিন কিন্তু ১২ লাখ
এভাবেই ভার্সিটি পড়ুয়া শত হাজার হিজাবি মেয়েরা, হিন্দুদের সাথে ডেটিং করে সতিত্ব হারায়, তারপর, ভালো একটা ছেলে দেখে তার ঘাড়ের উপর ঝুলে পড়ে,
হে এগুলোই হচ্ছে বর্তমান সময়ে?
#bd
নাইজার: JNIM-এর শাইখ আলবানি আল-আনসারি হাফি. বলেছেন,
আপনারা দাবি করেন যে আমরা ফ্রান্সের মিত্র। কিন্তু গতকাল আমরা ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি, আজও আমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি, এবং আগামীকালও তাদ… See moreনাইজার: JNIM-এর শাইখ আলবানি আল-আনসারি হাফি. বলেছেন,
আপনারা দাবি করেন যে আমরা ফ্রান্সের মিত্র। কিন্তু গতকাল আমরা ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি, আজও আমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি, এবং আগামীকালও তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। আপনারা খুব ভালো করেই জানেন যে ফ্রান্স আমাদের শত্রু।
বাস্তবে, আবদুর রহমান তিয়ানি (রাষ্ট্র প্রধান) ফ্রান্সের মিত্র হিসেবে রয়ে গেছেন আপনারাই।
আপনারা যে মুদ্রা ব্যবহার করেন তা ফরাসি ব্যবস্থার অংশ, আপনারা ফরাসি ভাষায় কথা বলেন, আপনাদের জাতীয় পতাকা ফ্রান্সের নকশায় তৈরি হয়েছে, আপনাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রশাসন ফরাসি ভাষায় পরিচালিত হয়, এমনকি আপনাদের জাতীয় মূলমন্ত্রও ফ্রান্সই নির্ধারণ করেছে।”
হাসিনা পালানোর পর প্রথমে ঢুকেছিলাম সংসদ ভবনে। সেখানে অনেকক্ষণ থাকার পর তারপর রওনা দিলাম গণভবনের দিকে।
গণভবনের দিকে রওনা হবার পর দেখা হয় একটা ছেলের সাথে। তখন একসাথে বিজয় স্লোগান দিচ্ছিলাম সবাই।
হ… See moreহাসিনা পালানোর পর প্রথমে ঢুকেছিলাম সংসদ ভবনে। সেখানে অনেকক্ষণ থাকার পর তারপর রওনা দিলাম গণভবনের দিকে।
গণভবনের দিকে রওনা হবার পর দেখা হয় একটা ছেলের সাথে। তখন একসাথে বিজয় স্লোগান দিচ্ছিলাম সবাই।
হাঁটতে হাঁটতে অনেকক্ষণ কথাও হয় ছেলেটার সাথে।
ছেলেটা কলেজের স্টুডেন্ট। বাড়ি রাজশাহী।
আমি জিজ্ঞেস করলাম- এতদূর থেকে আসলে কিভাবে? প্রত্যেক পয়েন্টে তো পুলিশ, সেনাবাহিনী থাকার কথা।'
ছেলেটা বলল- ভাই লং মার্চের তারিখ পরিবর্তন হওয়ায় আমরা দুই বন্ধু মিলে তাড়াহুড়ো করে রওনা দিছি। পরে যদি আবার না আসতে পারি।
আমি জিজ্ঞেস করলাম- পুলিশ কোথাও আটকায় নি?
ছেলেটা উত্তর দিল- অনেককেই আটকাইছে। আসতে দেয় নাই। লীগের পোলাপান কয়েকজনকে কোপাইছেও। এজন্যে আমরা অন্য একটা ব্যবস্থা করেই আসছি।
মোবাইলে শেখ মুজিব আর হাসিনার অনেকগুলো ছবি ডাউনলোড করে রাখছি। পুলিশ ধরলে বলতাম আমরা ছাত্রলীগের পোলাপান।
বলেই ছেলে দুইটা একসাথে হাসি দিল।
তারপর আবার বলতে শুরু করল- আর পড়ে আসছি সবচেয়ে পুরাতন গেঞ্জি আর প্যান্ট টা। দেখলে যাতে মনে হয় কোন এতিম গরীব ছেলে। তাইলে আটকাইবো না।
যেভাবেই হোক আসতেই হইব এই শপথ নিয়াই রওনা দিসি। সরাসরি আসতে পারি নাই অনেকবার গাড়ি চেঞ্জ করে ভেঙে ভেঙে আসতে হইছে।
তারপর আমি ছেলেটার মোবাইলের ওয়ালপেপারে দেখলাম - নাম, বাবার নাম, কলেজের নাম, নাম্বার লেখা একটা ছবি। যাতে মারা গেলেও কেউ চিনতে পারে এজন্যে এই ব্যবস্থা। ওর বন্ধুর মোবাইলেও একই।
আমি ওয়ালপেপার টা লক্ষ্য করতেছি দেখে ও আমাকে আরেকটা জিনিস দেখাল। গেঞ্জির ভেতরের সাইডে একটা ছোট কাগজে নাম, ঠিকানা লিখে পিন দিয়ে আটকে রাখা।
আমি জিজ্ঞেস করলাম- মোবাইলে থাকার পরও আবার এখানে লাগানো কেন? তাও আবার গেঞ্জির ভেতর।
ছেলেটা বলল- এটা আমার মায়ের বুদ্ধি। মা ই আসার সময় এটা লাগাই দিসে। যাতে ভিড়ের মধ্যে যদি
মোবাইল টা হারাইয়াও যায় আর আমি মারা যাই তাইলে যেন গেঞ্জির ভিতরের ঠিকানা টা দেইখা লা*শটা মায়ের কাছে পাঠাইতে পারে।
কথাগুলো বলতে বলতে ওরা চলে গেল গণভবনের সামনের রাস্তার দিকে। আমি কিছুক্ষণের জন্যে স্তম্ভিত হয়ে সেখানেই দাঁড়িয়ে রইলাম।
যেই মা জীবিত ছেলেকে মিছিলে পাঠিয়ে লা*শের জন্যে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে পারে এমন সাহসী মায়ের মুখটা বারবার মনে করার চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু পারছিলাম না
(লেখাটা রক্তঝরা জুলাই বই থেকে নেয়া)
৫ আগস্ট, ২০২৪
- Ibrahim Khalil Shawon
ফোনটা চালু করতেই স্ক্রিনে পরপর ভেসে উঠল একটি নাম—উম্মি...আমার মা।
৩৮টি মিসড কল, যেনবা উত্তরহীন ৩৮ টি ডাক। প্রতিটি কল থেকে একটি প্রশ্নই ভেসে আসছিল—‘বাবা, কোথায় তুমি?'
ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া … See moreফোনটা চালু করতেই স্ক্রিনে পরপর ভেসে উঠল একটি নাম—উম্মি...আমার মা।
৩৮টি মিসড কল, যেনবা উত্তরহীন ৩৮ টি ডাক। প্রতিটি কল থেকে একটি প্রশ্নই ভেসে আসছিল—‘বাবা, কোথায় তুমি?'
ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ছেলেটি আর কোনো দিন সেই ফোন ধরবে না, এ কথা তখনও জানতেন না তার মা।
গাজার এক হামলায় শহিদ ওই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করার সময় তার পকেটে মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায়। ফোনটি খুলে উদ্ধারকর্মীরা দেখেন, মায়ের করা ৩৮টি কল উত্তরহীন পড়ে আছে। হয়তো প্রতিবার কল কেটে যাওয়ার পর মা ভেবেছেন, একটু পরই ছেলে ফিরতি ফোন করবে। হয়তো ভেবেছেন, নেটওয়ার্ক নেই, ব্যস্ত আছে, কিংবা কোনো নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছাতে পারেনি।
কিন্তু সেই অপেক্ষা আর কোনোদিন শেষ হবে না। ছেলে আর ফিরবে না, আর কখনো বলবে না, 'আম্মু, আমি ভালো আছি।'
মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে জমে থাকা কয়েকটি সংখ্যা মুহূর্তেই পরিণত হয় একজন মায়ের অজানা শোকের দলিলে। যেনবা প্রতিটি মিসড কল একটি অপূর্ণ ডাক, একটি সমাপ্তিহীন অপেক্ষা আর একজন মায়ের বেদনার ধারাভাষ্য।
এটাই গাজা। সবসময়ের, রাতের, দিনের হয়তোবা অনন্তকালের গাজা এমনই।
আমি এখানে মরতেই এসেছি...
৭৫ বছর বয়সী এক মিশরীয় চিকিৎসক নিজের স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন পেছনে ফেলে গাজায় এসেছেন যুদ্ধাহতদের জীবন বাঁচাতে।
যখন অধিকাংশ মানুষ প্রাণ বাঁচাতে যুদ্ধের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছ… See moreআমি এখানে মরতেই এসেছি...
৭৫ বছর বয়সী এক মিশরীয় চিকিৎসক নিজের স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন পেছনে ফেলে গাজায় এসেছেন যুদ্ধাহতদের জীবন বাঁচাতে।
যখন অধিকাংশ মানুষ প্রাণ বাঁচাতে যুদ্ধের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছিল, তখন মিসরের খ্যাতনামা অর্থোপেডিক সার্জন ডা. আহমদ আবদুল আজিজ বেছে নেন ঠিক উল্টো পথ। পরিবার, নিজের ক্লিনিক ও স্বাভাবিক জীবন ছেড়ে তিনি পাড়ি জমান অবরুদ্ধ গাজায়—যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল একজন দক্ষ সার্জনের।
হাসপাতালে নেই পর্যাপ্ত ওষুধ, নেই প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার সরঞ্জাম। চারদিকে অবিরাম বোমাবর্ষণ, প্রতিটি মুহূর্তে মৃত্যুর ঝুঁকি। তবু তিনি পিছু হটেননি। বরং সেই প্রতিকূল পরিবেশেই আহতদের ওপর একের পর এক জটিল অস্ত্রোপচার চালিয়ে গেছেন।
জীবনের ঝুঁকি সত্ত্বেও গাজা ছাড়তে তিনি অস্বীকৃতি জানান। তাঁর বিশ্বাস—একজন চিকিৎসকের প্রথম দায়িত্ব মানুষের জীবন রক্ষা করা।
প্রায় ১৯৫ দিন পর তিনি উত্তর গাজায় পৌঁছাতে সক্ষম হন। তার এই যাত্রার লক্ষ্য ছিল না খ্যাতি কিংবা স্বীকৃতি; ছিল শুধু মানবিক দায়িত্ব পালন এবং যুদ্ধের বিভীষিকায় আহত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো।
একটা কথা বলি?
বড়দের মাঝে বলা হয়তো ঠিক হবে না তাও বলি,
বাংলাদেশ জিহ|দের ভূমি কি না এটা নিয়ে আলোচনা/সমালোচনা একটা অনর্থক কাজ হচ্ছে আমাদের।
কোনো ভূমিই জিহ|দের ভূমি না আবার প্রত্যেক ভূমি জিহ|দের … See moreএকটা কথা বলি?
বড়দের মাঝে বলা হয়তো ঠিক হবে না তাও বলি,
বাংলাদেশ জিহ|দের ভূমি কি না এটা নিয়ে আলোচনা/সমালোচনা একটা অনর্থক কাজ হচ্ছে আমাদের।
কোনো ভূমিই জিহ|দের ভূমি না আবার প্রত্যেক ভূমি জিহ|দের ভূমি। সময়ের সাথে সাথে এটা পরিবর্তন হবে।
আপনি যে মনে করেন শরিয়াহ আনা সম্ভব সেভাবেই কাজ করে যান। নিজেকে জিহ|দের জন্য প্রস্তুত রাখে বিভিন্ন ভাবে। ( শুরু সশ\স্ত্র না, জিহ|দের প্রস্তুতি অনেক ভাবেই হয়।)
ডাক্তারি করতে গিয়ে দিনদিন সমাজের নোংরা রূপ দেখতে পাচ্ছি!
মেয়েটি মুসলিম, ছেলেটি হিন্দু।
মেয়ের বাবা মা জানেনা যে, সে বিয়ে করেছে।
গতকাল, শুক্রবার বিকালে স্বামীর সাথে একটি ২৬ বছর বয়সী মেয়ে আস… See moreডাক্তারি করতে গিয়ে দিনদিন সমাজের নোংরা রূপ দেখতে পাচ্ছি!
মেয়েটি মুসলিম, ছেলেটি হিন্দু।
মেয়ের বাবা মা জানেনা যে, সে বিয়ে করেছে।
গতকাল, শুক্রবার বিকালে স্বামীর সাথে একটি ২৬ বছর বয়সী মেয়ে আসলো মাসিকের রাস্তায় প্রচণ্ড ব্যথা ও রক্তপাত নিয়ে। মেয়েটির অজ্ঞান অজ্ঞান ভাব!
তাদের তথ্য অনুযায়ী, স্বামী স্ত্রীর স্বাভাবিক মিলনের সময় বেশি চাপ পড়ার কারণে মেয়েটি অনেক ব্যথা পায় ও রক্তপাত শুরু হয়। জায়গাটি পরীক্ষা করে দেখা যায় যে যোনীপথে প্রায় ২ সেন্টিমিটার জায়গা ছিঁড়ে গিয়েছে এবং রক্তপাত তো চলছেই।
খুব শীগ্রই রোগীকে অজ্ঞান করে জায়গাটি সেলাই করে রক্তপাত বন্ধ করা হয়।
এরপর রোগীর বাবা আসলো! উনি জানান যে তার মেয়ে অবিবাহিত🙂
স্বামী স্ত্রী বলে যে তারা ২ জন ভিন্ন ধর্মের এবং পরিবারের সম্মতি ছাড়াই কোর্ট ম্যারেজ করেছেন। অনেকদিন যাবৎ একসাথে মেলামেশা করেন। অলরেডি মেয়েটি একবার গর্ভবতী হয়ে সেই বাচ্চা নষ্ট পর্যন্ত হয়েছে। নষ্ট হয়েছে নাকি করেছে আল্লাহ ভালো জানেন।
স্বামী স্ত্রী অনুরোধ করেছেন যেন পরিবারকে বলা হয় মেয়েটি পিছলা খেয়ে পড়ে গিয়ে ওই জায়গায় ছিঁড়ে গিয়েছে। আমি আমার যতটুকু কাজ ততটুকু করলাম। ভাবলাম অনেককিছু। আপনারাও বিভিন্ন দিক থেকে চিন্তা করুন। আল্লাহ হাফেজ।
ডাঃ আদনান হামিম
MBBS
Mugda Medical College Hospital, Dhaka!
Log In to leave a comment.