Our Social
Important Notice ⚠️ আপনাদের যাদের Our Social সাইটে নিউজফিডের ছবি গুলো এরকম স্ক্রিনের বাইরে চলে যাচ্ছে তারা ব্রাউজারের কুকিজ ক্লিয়ার করুন ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে
প্রিয় আর প্রিয়শী শেষ পর্ব সাকিব এখন তাইবার কাছে শুধু সামিয়ার খোজ খবর নিতে তাকে মেসেজ দেয়, কিন্তু তাইবা এখনো আগেরমতোই সারাদিন ভিডিও দেখা নিয়ে পরে থাকে। তারপর সাকিব খুব কষ্ট নিয়ে তাইবাকে বলে তাইব… See moreপ্রিয় আর প্রিয়শী শেষ পর্ব সাকিব এখন তাইবার কাছে শুধু সামিয়ার খোজ খবর নিতে তাকে মেসেজ দেয়, কিন্তু তাইবা এখনো আগেরমতোই সারাদিন ভিডিও দেখা নিয়ে পরে থাকে। তারপর সাকিব খুব কষ্ট নিয়ে তাইবাকে বলে তাইবা, এখনো তুমি সেই আগের মতোই আছো একটুও বদলাওনি। আগে যেরকম সারাদিন ভিডিও দেখতা আমার মেসেজের রিপ্লাই দিতে না এখনো তুমি সেটাই করো। সারাদিন ভিডিও দেখো। আগে হয়তো আমি রিপ্লাই না পেয়ে অনেক রেগে যেতাম কষ্ট পাইতাম। রাগের মাথায় হয়তো তোমাকেও উল্টাপাল্টা বলে ফেলতাম হয়তো তোমাকে অনেক কষ্ট দিতাম। কিন্তু এখন আমি আর আগেরমতো নাই এখন আমার ভিতর রাগ অভিমান হাসি কান্না কিছুই অবশিষ্ট নাই। আমি হয়তো পাথর হয়ে গেছি কিন্তু জানো আমার সবকিছু এখনো মনে আছে কিভাবে তুমি আমার জীবনে এসেছিলে আর আমাকে অনেক দামি আর শ্রেষ্ঠ উপহার দিয়েছিলে আমার পিচ্ছি আম্মুটাকে দিয়েছিলে আমায়। আমাকে আব্বু আর বাবা ডাক শুনিয়েছিলে। যেদিন ওই পিচ্চি বাবুটা আমাকে প্রথমবার ভিডিও কল দিয়ে পাপা বলেছিলো সেদিনটা ছিলো আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা দিন আমি সেদিনটার কথা কখনো ভুলবো না তারপর আবার পিচ্চি আম্মুটা আমাকে আব্বু বলে বাবা বলে ভয়েস পাঠিয়েছিলো সে ভয়েসগুলো আমার কাছে এখনও আছে আমার কাছে আমার মেয়েটার মাত্র তিনটা ভয়েস আরেকটা ছবি ছাড়া কিছুই নাই। আমি তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি সেই কষ্টের থেকে বেশি কষ্ট হয়েছিলো আমার পিচ্ছি আম্মুটাকে হারিয়ে। আমি কখনো আমার আম্মুটাকে ভুলিনি কয়েকমাস পরপরই তোমাকে কল দিতাম। কিন্তু আমি যখন কল দিতাম তখন হয়তো মোবাইল তোমার কাছে থাকতো না। তাই হয়তো আমার কল তুমি ধরতে পারতে না অবশেষে দেড় বছর পর তুমি আমার কল ধরলে আমার সাথে কথা বলার জন্য আর আমার মেয়েটাকে আমার সাথে কথা বলানোর জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু আফসোস আমার আম্মুটা এখন আমার কথা আর বুঝতে পারে না। তোমার কাছে কিছু অনুরোধ করবো রাখবে প্লিজ আমাকে আমার মেয়ের সাথে কথা বলতে দিও। তুমি ফ্রি টাইমে আগেরমতো আমাকে ভিডিও কল দিও। তুমি কথা না বলতে চাইলে না বইলো কিন্তু কল দিয়ে সুমাইয়ার কাছে মোবাইলটা দিও। আর আমার মেয়েটার খেয়াল রাইখো। সাথে নিজেরও খেয়াল রাইখো প্লিজ। তারপর তাইবা বললো তাইবা : এভাবে বলোনা প্লিজ কথা গুলোর মধ্যে অন্য কিছু আছে। সাকিব : অন্য কিছুই নাই। তাইবা : প্রতিটা কথা কলিজায় লাগলো। সাকিব : ওহ। তারপর সাকিব দেখালো যে তাইবার প্রতিটা সৃতি সে খুব যত্ন করে রেখে দিয়েছে। কিছু ভিডিও, তাইবার ভয়েস মেসেজ, স্ক্রিনশট, সামিয়ার ভয়েস মেসেজ ও সামিয়ার ছবি। এসব দেখে তাইবা খুব অবাক হলো। তাইবা : আমি যতোই দেখছি ততোই অবাক হচ্ছি একটা মানুষ কিভাবে সবকিছু এতো যত্ন করে রেখে দিতে পারে। সাকিব : এটাই সত্যিকারের ভালোবাসা। তাইবা : এখনো আমাকে ভালোবাসো? সাকিব : ভালোবাসলেই কি আমি কি আর তোমাকে পাবো নাকি? আচ্ছা সামিয়া কেমন আছে সেটা বলো। সামিয়ার কথা বলে সাকিব কথা ঘুরিয়ে দিলো সাকিব যে এখনো তাইবাকে ভালোবাসে সেটা তাইবাকে বুঝতে দিতে চায়না কিন্তু তাইবা সবসময় তাদের আগের সৃতিগুলো নিয়েই কথা বলতো সাকিব আর তাইবার পুরনো সেই সৃতিগুলোর ভিডিও স্টোরিতে দিতো এসব দেখে সাকিব আর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি সাকিব যে এখনো তাইবাকে সেই আগের মতোই ভালোবাসে সেটা আর লুকিয়ে রাখতে পারেনি। তাইবাও সাকিবকে ভালোবাসে। তারা আবারো রিলেশনে জড়িয়ে গেলো এবার তাইবা পুরো সাকিবের মনের মতো করে নিজেকে বদলে নিলো। সারাদিন সাকিব সাকিব করতো। সাকিব খুব অবাক হলো সাকিব তাইবাকে বলল, সাকিব : কিগো এখন ভিডিও দেখোনা যে? তাইবা : কোনো যায়গায় মন লাগেনা প্রিয় সারাদিন শুধু তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হয়। সাকিব : আরে না এটা কি হয় যে তুমি তোমার সবকিছু বাদ দিয়ে সারাক্ষণ আমাকে নিয়েই থাকবে, তুমি ভিডিও দেখো আমি কিছু বলবো না। কিছুদিন পর তাইবা : একটা কথা বলবো সাকিব : হুম জান বলো কি বলবে। তাইবা : আমার খুব ভয় করছে। সাকিব : কেনো? তাইবা : কথাটা শোনার পর হয়তো তুমি আমার সাথে আর সম্পর্ক রাখবে না। সাকিব : কি এমন কথা যেটা শুনলে সম্পর্ক রাখবো না? ভয় নেই বলে ফেলো তাইবা : আমার দুইটা মেয়ে। সাকিব : ও আচ্ছা। তাইবা : আমি তোমার কাছে কথাটা লুকাতে চাইনি তাই বলে দিলাম সাকিব : এটা আমি আগেই জানতাম। তাইবা : মিথ্যা বলো না। সাকিব : দেড় বছর আগে যখন তোমার আইডিতে প্রব্লেম হয়েছিলো আর আমি তোমার আইডি ঠিক করার জন্য লগইন করেছিলাম তখন তুমি তানজিলাকে বলছিলে যে তোমার দুইটা মেয়ে। আমি তখন সব দেখে ফেলেছি আর তখন থেকেই জানি যে তোমার দুইটা মেয়ে। তাইবা : তাহলে আমাকে কিছু বলোনি কেনো? সাকিব : কারণ সেটা আমি তোমার কাছ থেকে শুনতে চেয়েছিলাম আমি চেয়েছিলাম তুমি নিজে আমাকে সব বলো তাই আমি তোমাকে কিছু বলিনি। তাইবা : তুমি পাগল। সাকিব : হুম তোমার জন্য পাগল তাইবা :তোমার কাছে যেতে চাই কখন নিবে? সাকিব : অপেক্ষা করতে হবে। তাইবা : কতো সময়? সাকিব : এখন কিভাবে বলবো? তাইবা : আন্দাজ করে বলো এক বছর দুই বছর নাকি তিন বছর। সাকিব : তিন বছর ধরে রাখো। তাইবা : আচ্ছা ঠিকাছে। তার দুদিন পর তাইবা সাকিবকে ফোন করলো সে সময় সাকিবের পাশে সাকিবের মা বোন ছিলো তাইবা সাকিবের বোনের সাথে কথা বলতে চাইলো। তারপর সাকিব তার বোনের সাথে তাইবার কথা বলালো। সাকিবের বোন সাকিবকে জিজ্ঞেস করলো সে তাইবাকে কি বলে ডাকবে সাকিব তার বোনকে বললো যে আপাতত আপু বলেই ডাকতে। তারপর তাদের কথা শেষ হবার পর ফোন সাকিবকে দিলো এবার তাইবা সাকিবের মায়ের সাথে কথা বলতে চাইলো কিন্তু সাকিব দিলোনা সাকিব বললো যে সঠিক সময় হলে মায়ের সাথে কথা বলাবে। সাকিব ওর বোনকে বলেছে তাইবাকে আপু বলতে। কেনো? ভাবি বলতে বলেনি কেনো? সাকিব ওর মায়ের সাথে আমাকে কথা বলতে দেয়নি কেনো? এসব ভেবে তাইবা খুব ভয় পেয়ে গেলো তারপর। তাইবা :তুমি আমাকে তোমার কাছে তিন বছর পর যেতে বলেছো তাইনা? সাকিব : হুম। তাইবা : না আমি এতোদিন অপেক্ষা করতে পারবো না আমি জানুয়ারিতেই যেতে চাই। সাকিব : তুমি অপেক্ষা করতে পারবে না? তাইবা : এতোদিনে যদি ভালোবাসাটা ধোকাতে পরিনত হয়ে গেলো? সাকিব : তা কেনো হবে দেড়টা বছর তুমি আমার সাথে কোনো যোগাযোগ করোনি তখনতো আমি অন্য কাউকে খুজিনি তাহলে এখন তুমি আমার পাশে আছো এখন কেনো ধোকায় পরিনত হবে? তাইবা : এতোগুলো দিন কিভাবে অপেক্ষা করা যায় তিনটা বছর কি কম? তিনটা বছর ভেবে দেখেছো তুমি? সাকিব : তার মানে তুমি অপেক্ষা করতে পারবে না? তাইবা : আমি তিন বছরের আগে যেতে চাই মানে জানুয়ারিতে। সাকিব : যদি জানুয়ারিতে না হলো তাহলে কি তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে? তাইবা : না কিন্তু আমি এতোদিন অপেক্ষা করতে পারবো না, অনেক ঘুম পাচ্ছে কি বলবে বলো আমি সকালে উঠে দেখে নেবো। এটা বলে তাইবা ঘুমিয়ে পড়লো তারপর সাকিব বললো অপেক্ষা করতে না পারলে চলে যেও আমাকে ছেড়ে আমি তোমাকে কোনো দোষ দেবো না। আমি নিজেকে বলবো আমি নিজের অক্ষমতার কারণে আমি তোমাকে হারিয়েছি। তারপর সাকিব সারারাত তাইবাকে হারানোর ভয়ে ঘুমাতে পারলো না। রাত ২:৫৪ তে তাইবার মেসেজ তাইবা : বাহ খুব সুন্দর জানতাম তুমি এটাই বলবে। তিন বছর অপেক্ষা করাটা কি সম্ভব তুমিই বলো? আমিতো বলেছি আমি নিজে কাজ করে খাওয়াবো। এতো সুন্দর করে কথাগুলো বলার জন্য থেংক্স। তবে বারবার কেনো আসো আমার জীবনে? আমি কি খেলার পুতুল? ভালোই তো ছিলাম তবে কেনো কল দিয়ে বললে ব্লক ছাড়াতে? সাকিব : আচ্ছা এসে পড়ো। তাইবা : সত্যি? সাকিব : হুম তাইবা : সত্যি বলো প্লিজ। সাকিব : হুম সত্যি গো তাইবা : আচ্ছা ঠিকাছে। সাকিব : তোমাকে কেনো অপেক্ষা করতে বলেছি তুমি বুঝলে না, আমি তোমাদেরকে এখানে এনে কোনো কষ্ট দিতে চাইনা এখন আমার ইনকাম খুব কম যদি তোমাদের কষ্ট হলো? তাইবা : আমি সব জানি আর আমিতো বলেছি আমি কাজ করবো। সাকিব : তুমি কাজ করবে আমি বসে থাকবো আমি কি এটা মানতে পারবো? তাইবা : চুপ আমি আমার ভালোবাসার মানুষের জন্য সব করতে পারবো। কিছুদিন পরেই তাইবা সাকিবকে অবহেলা করা শুরু করলো। সাকিবের সে কি কষ্ট কি কান্না কিন্তু কিছুতেই তাইবার মন গলেনি ও সাকিবকে অবহেলা করতেই থাকলো। এইদিকে সাকিব তিলে তিলে মরতে লাগলো। সাকিবের কি দোষ সেটা খুজতে লাগলো সাকিব। কিন্তু পেলোনা। তারপর সাকিব ভাবলো হয়তো তাইবা কোনো প্রব্লেমে আছে তাই সে তাইবার সাথে কথা বললো সাকিব : তুমি কি কোনো প্রব্লেমে আছো? বলো আমাকে। তাইবা : না। সাকিব : তাহলে আমাকে এতো অবহেলা করছো কেনো কি করেছি আমি? তাইবা : কিছু করোনি, তুমি তোমার মতো থাকো ভালো থাকবে। সাকিব : তাহলে কেনো আমার মনে নতুন করে অনুভূতি জাগালে আমিতো তোমার জীবনে এসেছিলাম শুধু সামিয়ার জন্য, কেনো আমরা আবার রিলেশনে জড়ালাম? তাইবা : দুই নৌকায় পা দিতে পারবো না তাই অনেক চিন্তাভাবনা করে ডিসিশন নিয়েছি। সাকিব : সেটা আগে কেনো ভাবলে না? আমার ভালোবাসাটা আমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো ওটাই তো ভালো ছিলো। তাইবা : আমি মেয়েদের জন্য আর মেয়েদের ভবিষ্যতের জন্য তোমার সাথে যোগাযোগ করতে চাইনা। সাকিব : ঠিকাছে ভালো থেকো আমার ভালোবাসা কখনো যদি আমাকে চাও তাহলে নির্ভয়ে যোগাযোগ করবে ভালো থেকো আমার ভালোবাসা আল্লাহ হাফেজ। তাইবা : তোমার কোন ভুল ছিল না কোন দোষ ছিল না যেমন একটা নিষ্পাপ শিশুর কোন দোষ থাকে না ঠিক তোমার আর তোমার ভালোবাসার কোন দোষ নেই কিন্তু ভুলটা আমার পারলে ক্ষমা করো। জানি আমার প্রতি একটা ঘৃণা সৃষ্টি হবে তোমার তবুও পারলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখো। সাকিব : ভুলটা কার আমি জানিনা কিন্তু পুরো দুনিয়া থেকে বিশ্বাস উঠে গেলো বিশেষ করে নিজের উপর থেকে আমি কাউকেই ভালোবাসা দিয়ে নিজের করে রাখতে পারলাম না তোমাকেও না তাইবা : এটা তোমার ভুল ধারণা। তোমার ভালোবাসার কোন শেষ নাই। যারা ছেড়ে ছেড়ে চলে যাচ্ছে তারা তোমার যোগ্য নয়। সাকিব : আমি ভালোবাসার যোগ্য নই। তাইবা : না তোমার এত ভালোবাসা পেয়েও তোমাকে ছেড়ে চলে যাওয়া মেয়েগুলোই তোমার যোগ্য নয় তুমি আর একটা নিষ্পাপ শিশু দুজনকে আমি একই মনে করছি। কারণ শিশুটার কোন দোষ থাকে না ঠিক তোমারও তেমন ভালো থেকো আল্লাহ হাফেজ। সাকিব : কারণ তারা জানে আমাকে দিয়ে জীবনে কিছু হবেনা। তাইবা : নিজেকে নিয়ে ভুল ভেবো না। সাকিব : আমি আর কখনোই কারো কাছ থেকে ভালোবাসা চাইবো না। তাইবা : আল্লাহ যদি চাই হয়তো তোমার জীবনে অন্য কাউকে এনে দিতে পারে। সাকিব : এই মন আর কাউকে গ্রহণ করবে না, এই পর্যন্ত যা ভুল করেছি সেগুলোর জন্য পারলে ক্ষমা করে দিও, ভালো থেকো নিজের যত্ন নিও আর আমার কলিজার টুকরা সামিয়ার যত্ন নিও। তাইবা : তাই বলে এসএমএস করা বন্ধ করে দিও না। সাকিব : আমি আর কাউকে বিরক্ত করতে চাইনা। তাইবা : বিরক্ত নয় বরং খোঁজখবর নেয়ার জন্য বলছি। সাকিব : খোজ খবর নেওয়ার জন্যই যোগাযোগ করেছিলাম কিভাবে যে আবার রিলেশনে জড়ালাম। তাইবা : চোখ দিয়ে পানি আর এসএমএস গুলো দিচ্ছো। সাকিব : তোমার চোখের মুল্যবান পানি আমার জন্য নষ্ট করতে হবেনা। নিজের যত্ন নিও আর আমার কলিজার টুকরা সামিয়া তোমার কাছে আছে ওর যত্ন নিও ভালো থেকো আল্লাহ হাফেজ। কিছুদিন পর সাকিব : সামিয়া কোথায়? তাইবা : কেনো? সাকিব : এখন কি সামিয়ার কথা ও জিজ্ঞেস করতে পারবো না? তাইবা : না। সাকিব : ঠিকাছে বিরক্ত করার জন্য আমাকে মাফ করে দিও আল্লাহ হাফেজ। তাইবা : ওকে তবে কি এখানেই শেষ? এটাই কি ভালোবাসা? কেউ কাউকে সত্যিকারের ভালোবাসলে সে এরকমভাবে সাস্তি কেনো পায়? এই দুনিয়াটা এতোটা নিষ্ঠুর কেনো? এখন এগুলোই ভাবে সাকিব। আর প্রতি ওয়াক্ত নামাজের মোনাজাতে কান্না করে করে আল্লকহকে এটাই বলে যে আল্লাহ এই নিষ্ঠুর দুনিয়াতে আর থাকতে পারছি না। তুমি দয়া করে আমাকে নিয়ে যাও। আমি আর কিছুই চাইবো না এটাই আমার শেষ চাওয়া। পুরো গল্পটা পড়ে কেমন লাগলো আপনার অনুভুতি গুলো মন্তব্য করে জানাবেন। আল্লাহ হাফেজ। ✍️ সিয়াম জামান ✍️
Log In to leave a comment.
প্রিয় আর প্রিয়শী ২য় পর্ব সাকিবের আরেকটা নতুন জীবন শুরু হলো তাইবার সাথে। তাইবা সাকিবকে অনেক ভালোবাসতো এতোটাই ভালোবাসতো যে সাকিবের মনে হতো পৃথিবীতে এমনভাবে কেউ কাউকে ভালোবাসেনি। তাইবা সাকিবকে একটা… See moreপ্রিয় আর প্রিয়শী ২য় পর্ব সাকিবের আরেকটা নতুন জীবন শুরু হলো তাইবার সাথে। তাইবা সাকিবকে অনেক ভালোবাসতো এতোটাই ভালোবাসতো যে সাকিবের মনে হতো পৃথিবীতে এমনভাবে কেউ কাউকে ভালোবাসেনি। তাইবা সাকিবকে একটা ডাকনাম দিলো (প্রিয়) তাইবা সাকিবকে প্রিয় বলেই ডাকতো। সাকিবও তাইবাকে প্রিয়শী বলে ডাকতো। তাইবা সাকিবকে বলতো আমি অনেক ভাগ্যবান তোমার মতো এমন একটা মানুষ আমার জীবনে পেয়ে। দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসতো এবং বিশ্বাস ও করতো তাইবার একটা বিষয়ই সাকিবের ভালো লাগতো না যে তাইবা সারাদিন ভিডিও দেখা নিয়ে পরে থাকতো সাকিবকে সময় খুব কম দিতো কিন্তু যখনই সে সাকিবকে সময় দিতো সাকিব সব কষ্ট ভুলে যেতো। একদিন সকালে সাকিব ব্রাশ করছিলো এমন সময় তাইবার ফোন থেকে সাকিবের ফোনে ভিডিও কল আসে। সাকিব কল রিসিভ করার পর দেখে অপরপ্রান্তে থেকে একটা পিচ্ছি মেয়ে সাকিবকে পাপা পাপা বলে ডাকছে। এরকমভাবে ৩ থেকে ৪ মিনিট সাকিব আর ওই পিচ্ছি মেয়েটা কথা বলল। তারপর হঠাৎ করেই কল কেটে গেলো। তারপর তাইবা সাকিবকে ম্যাসেজ করতে লাগলো তাইবা অনেক ঘাবড়ে গিয়েছিলো বলতে লাগলো সরি সরি আমার মেয়ে তোমাকে কল দিয়ে ফেলেছিলো সরি মাফ করে দাও প্রিয়। সাকিব সজোড়ে একটা ধাক্কা খেলো। সাকিব তাইবাকে জিজ্ঞাসা করলো। সাকিব : তোমার হাজবেন্ট কোথায়? তাইবা : বিদেশে থাকে। সাকিব : ওহ। তাইবা : হুম। সাকিব : তোমার হাজবেন্ট কি তোমাকে ভালোবাসে না? তাইবা : না ও আমাকে ভালোবাসে না প্রিয় ও আমাকে অনেক মারধর করে গো। সাকিব : কিন্তু কেনো? তাইবা : ও অন্য মেয়েকে ভালোবাসে। সাকিব : ও আচ্ছা। তাইবা : আমাকে মাফ করে দাও প্রিয় আমি তোমার ভালোবাসার যোগ্য নই, তুমি যদি চাও আমাকে ছেড়ে চলে যাও আমি তোমাকে কোনো দোষ দেবোনা। সাকিব : আচ্ছা শোনো এখন আমার কাজ আছে পরে কথা হবে। এই বলে সাকিব নেট বন্ধ করে অফলাইন হয়ে গেলো সাকিব সারাদিন ভাবলো কি করা উচিত তার ভাবলো যে ওর হাজবেন্ড তো ওকে ভালোবাসে না ওকে কষ্ট দেয় তাহলে ও যদি অন্য কাউকে ভালোবাসে তাহলে ওর দোষ কোথায়? আর তাছাড়া যে ওকে ভালোইবাসে না তার সাথে জীবন কাটিয়ে সারাজীবন কষ্ট পাবে কেন? আর ওই পিচ্চি মেয়েটাও যদি ভবিষ্যতে মা বাবার ঝগড়ার শিকার হয় তাহলে তো ওরও জীবন নষ্ট হয়ে যাবে এসবের মধ্যে ওই ছোট্ট শিশুটার কি দোষ? আর আমি যদি এসব শোনার পর তাইবাকে ছেড়ে দেই তাহলে আমার ভালোবাসাটাওতো মিথ্যা প্রমাণ হবে যে আমি আমার প্রিয় মানুষটাকে কষ্টের মাঝে ছেড়ে দিয়েছি। না আমি তাইবাকে ছাড়বো না। তাইবার সাথে সাথে এই শিশু বাচ্চাটাকেও নিজের করে নিবো। আমি ওকে ওর বাবার পরিচয় দেবো। আমি ওকে এতোটাই ভালোবাসবো যে ও কখনোই বুঝতে পারবে না যে আমি ওর জন্মদাতা পিতা নই। তারপর সাকিব তাইবাকে তার মনের সব কথাগুলো বললো। তাইবাও অনেকটা ভরসা পেলো সাকিব : আচ্ছা আমার পিচ্চি মেয়েটার নাম কি? তাইবা : সামিয়া। সাকিব : খুব সুন্দর নাম। তাইবা : ধন্যবাদ। সাকিব : জানো! সামিয়া আমাকে কি বলছিলো? তাইবা : কি? সাকিব : তুমি শুনলে হয়তো বিশ্বাস করবে না। তাইবা : আগে তুমি বলো তো কি বলেছিলো? সাকিব : তাইবা আমাকে পাপা পাপা বলছিলো। তাইবা : সত্যি? সাকিব : হুম জান সত্যি, ও আমাকে প্রথম কলেই পাপা বলেছে তুমি দেইখো আমি আসলেই ওর পাপা হয়ে দেখাবো আমি ওর অনেক ভালো বাবা হবো সামিয়া গর্ব করে বলবে যে আমি ওর বাবা। তাইবা : ইনশাআল্লাহ। কিছুদিন পর তাইবার ফেসবুক আইডিতে তাইবা লগইন করতে পারছিলো না তারপর তাইবা সাকিবকে তার ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড দিয়েছে। তারপর সাকিব তাইবার ফেসবুক আইডি লগইন করেছে আইডি ঠিক করার জন্য। ঠিক তখনই তাইবা আর তানজিলা চ্যাট করছিলো তাইবা তানজিলা কে বলছিলো যে একটা কথা বলি রাগ করিস না তোর থেকে লুকিয়েছি বলে, আসলে আমার একটা না দুইটা মেয়ে। এগুলো সব সাকিব দেখছিলো তাইবা এতোবড় কথা সাকিবের থেকে লুকিয়েছে বলে সাকিব ভিষণ কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু সাকিব তাইবাকে বুঝতে দেয়নাই যে সে সব জেনে গেছে সাকিব তাইবার সাথে এই বিষয় নিয়ে কোনো কথাই বলেনি। তারপর সাকিব তাইবাকে তার আইডি ঠিক করে দিয়েছে। এরপর সাকিব তাইবাকে বলেছে যে সাকিব : তুমি তোমার আইডির পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে ফেলো। তাইবা : না প্রিয় আমি পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করবো না সাকিব : কেনো চেঞ্জ করবে না? তাইবা : তুমি আমার আইডিতে ঢুকলেই বা কি আমার কোনো সমস্যা নাই তুমি তো আমার প্রিয় মানুষ আমার ভালোবাসার মানুষ। তারপর সাকিব আর কিছু বলেনি। সাকিব তার মোবাইল থেকে তাইবার আইডিটা রিমুভ করতে ভুলে গিয়েছিলো যাতে করে ভুল করে মাঝেমধ্যে তাইবার আইডিটা লগইন হয়ে যেতো একদিন তাইবা মনে করলো যে সাকিব ইচ্ছে করেই সারাক্ষণ তাইবার আইডিতে ঢুকে থাকে আর সে কার সাথে কি কথা বলে সব দেখে। তারপর তাইবা সাকিবকে কিছু না বলেই ব্লক মেরে দিলো। সাকিব কোনো দোষ না করেই এতোবড় সাস্তি পেলো। তাইবার সাথে সাথে সামিয়াকেও হারালো সে যে সামিয়াকে সে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসতো। ভালোবাসা নামক শব্দের প্রতি সাকিবের ঘৃণা জমে গেছে। সাকিব মেনে নিয়েছে এই পৃথিবীতে ভালোবাসা বলতে কিছুই নেই কিন্তু সেই ছোট্ট পিচ্চি সামিয়াকে সে এখনো নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসে। শুধুমাত্র সামিয়ার জন্যই সে তাইবার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। মাঝেমধ্যে সে রঙ নাম্বার থেকে তাইবাকে কল দেয় কিন্তু তাইবা রিসিভ করেনা। দেড় বছর পর তাইবা সাকিবের কল রিসিভ করে। সাকিব : আসসালামু আলাইকুম। তাইবা : ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহ, হঠাৎ এতোদিন পর? সাকিব : কেমন আছো? তাইবা : আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি তুমি কেমন আছো? সাকিব : আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। তাইবা : তো এতোদিন পর কিভাবে মনে পড়লো? সাকিব : মনে তো সবসময় পরে কিন্তু তোমাকে কল দিলে তুমি ধরোনা, সামিয়া কেমন আছে? তাইবা : আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছে। সাকিব : সামিয়া কে একটু ফোনটা দিবা? তারপর তাইবা সামিয়াকে মোবাইলটা দিলো তারপর সাকিব কান্না গলায় সামিয়ার সাথে কথা বললো হ্যালো মা কেমন আছো মা তোমাকে আমি অনেক মিস করি গো মা। কিন্তু সামিয়া সাকিবের কোনো কথাই বুঝতে পারলো না তারপর তাইবা সামিয়ার কাছ থেকে ফোন নিয়ে সাকিবকে বললো তাইবা : সামিয়া তোমার কথা বুঝতে পারে না। সাকিব : একটা অনুরোধ করছি তুমি প্লিজ আমার ব্লকটা খুলে দাও আমি কথা দিচ্ছি তোমাকে কখনোই বিরক্ত করবো না আমি শুধু সামিয়ার খোজ নিবো। তাইবা : আচ্ছা ঠিকাছে। তারপর থেকে সাকিব আর তাইবার আবারও কথা বলা শুরু হয়ে গেলো, কিন্তু সাকিব শুধু সামিয়ার বেপারেই কথা বলতে চাইতো অন্য কোনো বেপারে তেমন কথা বলতো না। পরবর্তী অংশ অনেক তাড়াতাড়ি আসবে কে কে পড়তে আগ্রহী তারা কমেন্টে জানান ✍️ সিয়াম জামান ✍️
Log In to leave a comment.
প্রিয় আর প্রিয়শী ১ম পর্ব ছেলেটির নাম সাকিব। বয়স ১৮ সৃষ্টিকর্তা তাকে অন্যদের থেকে ভিন্ন করে বানিয়েছেন। সে অন্য সবার মতো হাটা চলা করতে পারেনা বাহিরে গিয়ে খেলাধুলা করতে পারেনা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দ… See moreপ্রিয় আর প্রিয়শী ১ম পর্ব ছেলেটির নাম সাকিব। বয়স ১৮ সৃষ্টিকর্তা তাকে অন্যদের থেকে ভিন্ন করে বানিয়েছেন। সে অন্য সবার মতো হাটা চলা করতে পারেনা বাহিরে গিয়ে খেলাধুলা করতে পারেনা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পারেনা। সে দিনের ২৪ ঘন্টাই বাড়িতে থাকে। সে বাস্তব জীবনে খুব একা। কথা বলার কেউ নাই বন্ধুও নাই তেমন। আলিফা নামের একটা মেয়ে ছিলো তার জীবনে। একমাত্র আলিফাই ছিলো তার জীবনে যার সাথে সে মন খুলে কথা বলতে পারতো তার সব স্বপ্নের কথা তার সব অনুভূতি প্রকাশ করতে পারতো। সাকিব আলিফাকে অনেক ভালোবাসতো, আলিফাও নাকি সাকিবকে অনেক ভালোবাসতো। সাকিব আলিফাকে এতোটাই ভালোবাসতো যে নিজের কথা না ভেবে আলিফার কথাই ভাবতো আলিফার সুখের কথা ভেবে আলিফাকে বলতো যে সাকিব : তুমি ভুল করছো তুমি ভূল মানুষকে ভালোবাসছো। আমি তোমাকে সব সুখ দিতে পারবো না। আলিফা : আমি জানি তুমি এখন কি বলবে তুমি বলবে আমি তোমাকে দামি গহণা দিতে পারবো না, বড় দালান বাড়িতে হয়তো রাখতে পারবো না, ঘুরতে নিয়ে যেতে পারবো না, বাহিরে নিয়ে গিয়ে ফুচকা চটপটি খাওয়াতে পারবোনা ইত্যাদি। দেখো সাকিব! তোমার মুখে এসব কথা শুনে শুনে আমার মুখস্থ হয়ে গেছে আর এসব শুনতে ভালোলাগেনা, তোমাকে আমি বলেছি না যে তোমাকে কোনো কিছু করতে হবেনা? আমি কাজ করে তোমাকে খাওয়াবো তোমাকে কিছু করতে দিবোনা। সাকিব : আমার ভালোবাসার মানুষ কষ্ট করবে আর আমি বসে বসে দেখবো এটা কি সম্ভব? আলিফা : তুমি চুপ থাকো সাকিব। তুমি পাশে থাকলে এসব কিছুই আমার জন্য সুখে পরিনত হবে কোনো কষ্ট হবেনা আর তুমি না থাকলে টাকা পয়সা স্বর্ণ গয়না দিয়ে গোসল করতে পারলেও আমি সুখ পাবোনা। সাকিব : তোমার বাবা মা আমার কাছে তোমাকে কখনোই বিয়ে দেবেনা। আলিফা : সেটা আমি দেখে নেবো আমার মা বাবাকে আমি ঠিক মানিয়ে নেবো। তুমি তোমার মা বাবাকে মানাও। তারপর সাকিব অনেক কষ্ট করে তার ফ্যামিলিকে আলিফার জন্য রাজি করালো। তার কিছুদিন পরেই সাকিব আলিফার মোবাইলে কল দিলো। কিন্তু কল ধরলো আলিফার ফুপাতো বোন। কল ধরেই সাকিব কে বললো দেখ সাকিব আলিফা আমাদের সব বলে দিয়েছে তুই নাকি আলিফার পিছোনে পরে আছিস তুই নাকি আলিফাকে ডিস্টার্ব করিস? দেখ তোরে লাস্ট ওয়ার্নিং দিলাম আলিফাকে আর কল করবি না তোর মতো ছেলের সঙ্গে আলিফাকে বিয়ে দেবোনা আর আলিফাও তোকে চায়না। এসব শুনে সাকিব অনেক ভেঙে পড়লো আর সাকিবের অতীতের সব কথাই মনে পড়ে গেলো যে কিভাবে আলিফা বীণা কারণে বারবার সাকিবের সাথে ব্রেকাপ করে চলে যেতো আবার কয়েকমাস পর ফিরে আসতো এইবার ছিলো রোজার মাস আলিফা আল্লাহর কসম দিয়ে সাকিবকে বলেছিলো যে এইবার আর তাকে ছেড়ে যাবেনা। এরপর কি হলো সে নিজে ছেড়ে যেতে না পেরে তার পরিবারকে ব্যবহার করে বিচ্ছেদটা সফল করলো। এরপর থেকে ভালোবাসার প্রতি সাকিবের বিশ্বাস উঠে গেলো সাকিবের তো বাস্তব জীবনে তেমন কেউ নাই তাই সে সোস্যাল মিডিয়াতে অনেক এক্টিভ থাকে সোস্যাল মিডিয়ায় তার অনেকেই আছে বোন আছে এমনকি নানি দাদি ও আছে। অনেক মেয়েরা সাকিবকে প্রপোজ করতো কিন্তু সাকিব সহজে কাউকে পাত্তা দিতো না। মাঝেমধ্যে ভাবতো সব মেয়েরা তো আর খারাপ না। এটা ভেবে কিছুকিছু মেয়েকে চান্স দিতো কিন্তু তারাও সাকিবকে প্রয়োজনে ব্যবহার করে প্রয়োজন শেষে মন ভেঙে দিয়ে চলে যেতো সোশ্যাল মিডিয়াতেই সাকিবের একটা বোন ছিলো তানজিলা। তানজিলার একটা বেস্ট ফ্রেন্ড ছিলো তাইবা সাকিবের সাথে তাইবা মাঝেমধ্যে মেসেজে কথা বলো সাকিবের সাথে সে অনেক দুষ্টামি করতো সাকিবের বেশ ভালোই লাগতো। একদিন সন্ধ্যাবেলা হঠাৎ করেই তাইবা সাকিবকে প্রপোজ করে ফেললো। সাকিব খুব অবাক হলো কিন্তু কোনো কিছুতেই সে প্রপোজ এক্সেপ্ট করলো না তাইবা : তুমি কেনো আমার ভালোবাসাটা গ্রহণ করবে না? সাকিব : দেখো তাইবা তুমি আমার বেপারে কিছু জানোনা আর জানলে ভালোবাসবে না আর আমি মিথ্যা বলে কারো সাথে কোনো সম্পর্ক গড়তে চাইনা। তাইবা : কি জানিনা আর কি এমন কথা যেটা জানলে তোমাকে ভালোবাসবো না? সাকিব : দেখো আমি তোমাদের মতো না আমি অন্য সবার মতো হাটা চলা করতে পারিনা তাইবা : সেটা আমি আগেই জানি তানজিলা আমাকে সব বলে দিয়েছে। সাকিব : তারপরেও ভালোবাসো? তাইবা: হুম অনেক ভালোবাসি আর শোনো ভালোবাসা বাহ্যিক রুপ আর টাকা পয়সা দিয়ে হয়না ভালোবাসা হয় মন দিয়ে। সাকিব : তারপরেও আমি তোমাকে এক্সেপ্ট করতে পারবো না আমাকে মাফ করে দাও তাইবা : কেনো আমি কি ভালো মেয়ে নই? সাকিব : তা নয় তুমি অনেক ভালো একটা মেয়ে কিন্তু ভালোবাসার উপর থেকে আমার বিশ্বাস উঠে গেছে। তাইবা : কেনো কি এমন হয়েছে? তারপর সাকিব তার আর আরিফার পুরো গল্পটা তাইবাকে শোনালো আর তাইবার প্রোপজ সেদিন সে রিজেক্ট করে দিলো। দিনের পর দিন মাসের পর মাস যেতে লাগলো একাকিত্বের আগুনে পুড়তে লাগলো সাকিব। দীর্ঘ ৯ মাস পর তাইবা সাকিবকে আবারও প্রপোজ করলো। সেদিন আর সাকিব রিজেক্ট করতে পারলো না সাকিব তাইবার প্রপোজ এক্সেপ্ট করে নিলো। পরবর্তী অংশ অনেক তাড়াতাড়ি আসবে কে কে পড়তে আগ্রহী তারা কমেন্টে জানান ✍️ সিয়াম জামান ✍️
Log In to leave a comment.
Log In to leave a comment.