Siyam Jaman's Post
Avatar

প্রিয় আর প্রিয়শী শেষ পর্ব সাকিব এখন তাইবার কাছে শুধু সামিয়ার খোজ খবর নিতে তাকে মেসেজ দেয়, কিন্তু তাইবা এখনো আগেরমতোই সারাদিন ভিডিও দেখা নিয়ে পরে থাকে। তারপর সাকিব খুব কষ্ট নিয়ে তাইবাকে বলে তাইবা, এখনো তুমি সেই আগের মতোই আছো একটুও বদলাওনি। আগে যেরকম সারাদিন ভিডিও দেখতা আমার মেসেজের রিপ্লাই দিতে না এখনো তুমি সেটাই করো। সারাদিন ভিডিও দেখো। আগে হয়তো আমি রিপ্লাই না পেয়ে অনেক রেগে যেতাম কষ্ট পাইতাম। রাগের মাথায় হয়তো তোমাকেও উল্টাপাল্টা বলে ফেলতাম হয়তো তোমাকে অনেক কষ্ট দিতাম। কিন্তু এখন আমি আর আগেরমতো নাই এখন আমার ভিতর রাগ অভিমান হাসি কান্না কিছুই অবশিষ্ট নাই। আমি হয়তো পাথর হয়ে গেছি কিন্তু জানো আমার সবকিছু এখনো মনে আছে কিভাবে তুমি আমার জীবনে এসেছিলে আর আমাকে অনেক দামি আর শ্রেষ্ঠ উপহার দিয়েছিলে আমার পিচ্ছি আম্মুটাকে দিয়েছিলে আমায়। আমাকে আব্বু আর বাবা ডাক শুনিয়েছিলে। যেদিন ওই পিচ্চি বাবুটা আমাকে প্রথমবার ভিডিও কল দিয়ে পাপা বলেছিলো সেদিনটা ছিলো আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা দিন আমি সেদিনটার কথা কখনো ভুলবো না তারপর আবার পিচ্চি আম্মুটা আমাকে আব্বু বলে বাবা বলে ভয়েস পাঠিয়েছিলো সে ভয়েসগুলো আমার কাছে এখনও আছে আমার কাছে আমার মেয়েটার মাত্র তিনটা ভয়েস আরেকটা ছবি ছাড়া কিছুই নাই। আমি তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি সেই কষ্টের থেকে বেশি কষ্ট হয়েছিলো আমার পিচ্ছি আম্মুটাকে হারিয়ে। আমি কখনো আমার আম্মুটাকে ভুলিনি কয়েকমাস পরপরই তোমাকে কল দিতাম। কিন্তু আমি যখন কল দিতাম তখন হয়তো মোবাইল তোমার কাছে থাকতো না। তাই হয়তো আমার কল তুমি ধরতে পারতে না অবশেষে দেড় বছর পর তুমি আমার কল ধরলে আমার সাথে কথা বলার জন্য আর আমার মেয়েটাকে আমার সাথে কথা বলানোর জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু আফসোস আমার আম্মুটা এখন আমার কথা আর বুঝতে পারে না। তোমার কাছে কিছু অনুরোধ করবো রাখবে প্লিজ আমাকে আমার মেয়ের সাথে কথা বলতে দিও। তুমি ফ্রি টাইমে আগেরমতো আমাকে ভিডিও কল দিও। তুমি কথা না বলতে চাইলে না বইলো কিন্তু কল দিয়ে সুমাইয়ার কাছে মোবাইলটা দিও। আর আমার মেয়েটার খেয়াল রাইখো। সাথে নিজেরও খেয়াল রাইখো প্লিজ। তারপর তাইবা বললো তাইবা : এভাবে বলোনা প্লিজ কথা গুলোর মধ্যে অন্য কিছু আছে। সাকিব : অন্য কিছুই নাই। তাইবা : প্রতিটা কথা কলিজায় লাগলো। সাকিব : ওহ। তারপর সাকিব দেখালো যে তাইবার প্রতিটা সৃতি সে খুব যত্ন করে রেখে দিয়েছে। কিছু ভিডিও, তাইবার ভয়েস মেসেজ, স্ক্রিনশট, সামিয়ার ভয়েস মেসেজ ও সামিয়ার ছবি। এসব দেখে তাইবা খুব অবাক হলো। তাইবা : আমি যতোই দেখছি ততোই অবাক হচ্ছি একটা মানুষ কিভাবে সবকিছু এতো যত্ন করে রেখে দিতে পারে। সাকিব : এটাই সত্যিকারের ভালোবাসা। তাইবা : এখনো আমাকে ভালোবাসো? সাকিব : ভালোবাসলেই কি আমি কি আর তোমাকে পাবো নাকি? আচ্ছা সামিয়া কেমন আছে সেটা বলো। সামিয়ার কথা বলে সাকিব কথা ঘুরিয়ে দিলো সাকিব যে এখনো তাইবাকে ভালোবাসে সেটা তাইবাকে বুঝতে দিতে চায়না কিন্তু তাইবা সবসময় তাদের আগের সৃতিগুলো নিয়েই কথা বলতো সাকিব আর তাইবার পুরনো সেই সৃতিগুলোর ভিডিও স্টোরিতে দিতো এসব দেখে সাকিব আর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি সাকিব যে এখনো তাইবাকে সেই আগের মতোই ভালোবাসে সেটা আর লুকিয়ে রাখতে পারেনি। তাইবাও সাকিবকে ভালোবাসে। তারা আবারো রিলেশনে জড়িয়ে গেলো এবার তাইবা পুরো সাকিবের মনের মতো করে নিজেকে বদলে নিলো। সারাদিন সাকিব সাকিব করতো। সাকিব খুব অবাক হলো সাকিব তাইবাকে বলল, সাকিব : কিগো এখন ভিডিও দেখোনা যে? তাইবা : কোনো যায়গায় মন লাগেনা প্রিয় সারাদিন শুধু তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হয়। সাকিব : আরে না এটা কি হয় যে তুমি তোমার সবকিছু বাদ দিয়ে সারাক্ষণ আমাকে নিয়েই থাকবে, তুমি ভিডিও দেখো আমি কিছু বলবো না। কিছুদিন পর তাইবা : একটা কথা বলবো সাকিব : হুম জান বলো কি বলবে। তাইবা : আমার খুব ভয় করছে। সাকিব : কেনো? তাইবা : কথাটা শোনার পর হয়তো তুমি আমার সাথে আর সম্পর্ক রাখবে না। সাকিব : কি এমন কথা যেটা শুনলে সম্পর্ক রাখবো না? ভয় নেই বলে ফেলো তাইবা : আমার দুইটা মেয়ে। সাকিব : ও আচ্ছা। তাইবা : আমি তোমার কাছে কথাটা লুকাতে চাইনি তাই বলে দিলাম সাকিব : এটা আমি আগেই জানতাম। তাইবা : মিথ্যা বলো না। সাকিব : দেড় বছর আগে যখন তোমার আইডিতে প্রব্লেম হয়েছিলো আর আমি তোমার আইডি ঠিক করার জন্য লগইন করেছিলাম তখন তুমি তানজিলাকে বলছিলে যে তোমার দুইটা মেয়ে। আমি তখন সব দেখে ফেলেছি আর তখন থেকেই জানি যে তোমার দুইটা মেয়ে। তাইবা : তাহলে আমাকে কিছু বলোনি কেনো? সাকিব : কারণ সেটা আমি তোমার কাছ থেকে শুনতে চেয়েছিলাম আমি চেয়েছিলাম তুমি নিজে আমাকে সব বলো তাই আমি তোমাকে কিছু বলিনি। তাইবা : তুমি পাগল। সাকিব : হুম তোমার জন্য পাগল তাইবা :তোমার কাছে যেতে চাই কখন নিবে? সাকিব : অপেক্ষা করতে হবে। তাইবা : কতো সময়? সাকিব : এখন কিভাবে বলবো? তাইবা : আন্দাজ করে বলো এক বছর দুই বছর নাকি তিন বছর। সাকিব : তিন বছর ধরে রাখো। তাইবা : আচ্ছা ঠিকাছে। তার দুদিন পর তাইবা সাকিবকে ফোন করলো সে সময় সাকিবের পাশে সাকিবের মা বোন ছিলো তাইবা সাকিবের বোনের সাথে কথা বলতে চাইলো। তারপর সাকিব তার বোনের সাথে তাইবার কথা বলালো। সাকিবের বোন সাকিবকে জিজ্ঞেস করলো সে তাইবাকে কি বলে ডাকবে সাকিব তার বোনকে বললো যে আপাতত আপু বলেই ডাকতে। তারপর তাদের কথা শেষ হবার পর ফোন সাকিবকে দিলো এবার তাইবা সাকিবের মায়ের সাথে কথা বলতে চাইলো কিন্তু সাকিব দিলোনা সাকিব বললো যে সঠিক সময় হলে মায়ের সাথে কথা বলাবে। সাকিব ওর বোনকে বলেছে তাইবাকে আপু বলতে। কেনো? ভাবি বলতে বলেনি কেনো? সাকিব ওর মায়ের সাথে আমাকে কথা বলতে দেয়নি কেনো? এসব ভেবে তাইবা খুব ভয় পেয়ে গেলো তারপর। তাইবা :তুমি আমাকে তোমার কাছে তিন বছর পর যেতে বলেছো তাইনা? সাকিব : হুম। তাইবা : না আমি এতোদিন অপেক্ষা করতে পারবো না আমি জানুয়ারিতেই যেতে চাই। সাকিব : তুমি অপেক্ষা করতে পারবে না? তাইবা : এতোদিনে যদি ভালোবাসাটা ধোকাতে পরিনত হয়ে গেলো? সাকিব : তা কেনো হবে দেড়টা বছর তুমি আমার সাথে কোনো যোগাযোগ করোনি তখনতো আমি অন্য কাউকে খুজিনি তাহলে এখন তুমি আমার পাশে আছো এখন কেনো ধোকায় পরিনত হবে? তাইবা : এতোগুলো দিন কিভাবে অপেক্ষা করা যায় তিনটা বছর কি কম? তিনটা বছর ভেবে দেখেছো তুমি? সাকিব : তার মানে তুমি অপেক্ষা করতে পারবে না? তাইবা : আমি তিন বছরের আগে যেতে চাই মানে জানুয়ারিতে। সাকিব : যদি জানুয়ারিতে না হলো তাহলে কি তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে? তাইবা : না কিন্তু আমি এতোদিন অপেক্ষা করতে পারবো না, অনেক ঘুম পাচ্ছে কি বলবে বলো আমি সকালে উঠে দেখে নেবো। এটা বলে তাইবা ঘুমিয়ে পড়লো তারপর সাকিব বললো অপেক্ষা করতে না পারলে চলে যেও আমাকে ছেড়ে আমি তোমাকে কোনো দোষ দেবো না। আমি নিজেকে বলবো আমি নিজের অক্ষমতার কারণে আমি তোমাকে হারিয়েছি। তারপর সাকিব সারারাত তাইবাকে হারানোর ভয়ে ঘুমাতে পারলো না। রাত ২:৫৪ তে তাইবার মেসেজ তাইবা : বাহ খুব সুন্দর জানতাম তুমি এটাই বলবে। তিন বছর অপেক্ষা করাটা কি সম্ভব তুমিই বলো? আমিতো বলেছি আমি নিজে কাজ করে খাওয়াবো। এতো সুন্দর করে কথাগুলো বলার জন্য থেংক্স। তবে বারবার কেনো আসো আমার জীবনে? আমি কি খেলার পুতুল? ভালোই তো ছিলাম তবে কেনো কল দিয়ে বললে ব্লক ছাড়াতে? সাকিব : আচ্ছা এসে পড়ো। তাইবা : সত্যি? সাকিব : হুম তাইবা : সত্যি বলো প্লিজ। সাকিব : হুম সত্যি গো তাইবা : আচ্ছা ঠিকাছে। সাকিব : তোমাকে কেনো অপেক্ষা করতে বলেছি তুমি বুঝলে না, আমি তোমাদেরকে এখানে এনে কোনো কষ্ট দিতে চাইনা এখন আমার ইনকাম খুব কম যদি তোমাদের কষ্ট হলো? তাইবা : আমি সব জানি আর আমিতো বলেছি আমি কাজ করবো। সাকিব : তুমি কাজ করবে আমি বসে থাকবো আমি কি এটা মানতে পারবো? তাইবা : চুপ আমি আমার ভালোবাসার মানুষের জন্য সব করতে পারবো। কিছুদিন পরেই তাইবা সাকিবকে অবহেলা করা শুরু করলো। সাকিবের সে কি কষ্ট কি কান্না কিন্তু কিছুতেই তাইবার মন গলেনি ও সাকিবকে অবহেলা করতেই থাকলো। এইদিকে সাকিব তিলে তিলে মরতে লাগলো। সাকিবের কি দোষ সেটা খুজতে লাগলো সাকিব। কিন্তু পেলোনা। তারপর সাকিব ভাবলো হয়তো তাইবা কোনো প্রব্লেমে আছে তাই সে তাইবার সাথে কথা বললো সাকিব : তুমি কি কোনো প্রব্লেমে আছো? বলো আমাকে। তাইবা : না। সাকিব : তাহলে আমাকে এতো অবহেলা করছো কেনো কি করেছি আমি? তাইবা : কিছু করোনি, তুমি তোমার মতো থাকো ভালো থাকবে। সাকিব : তাহলে কেনো আমার মনে নতুন করে অনুভূতি জাগালে আমিতো তোমার জীবনে এসেছিলাম শুধু সামিয়ার জন্য, কেনো আমরা আবার রিলেশনে জড়ালাম? তাইবা : দুই নৌকায় পা দিতে পারবো না তাই অনেক চিন্তাভাবনা করে ডিসিশন নিয়েছি। সাকিব : সেটা আগে কেনো ভাবলে না? আমার ভালোবাসাটা আমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো ওটাই তো ভালো ছিলো। তাইবা : আমি মেয়েদের জন্য আর মেয়েদের ভবিষ্যতের জন্য তোমার সাথে যোগাযোগ করতে চাইনা। সাকিব : ঠিকাছে ভালো থেকো আমার ভালোবাসা কখনো যদি আমাকে চাও তাহলে নির্ভয়ে যোগাযোগ করবে ভালো থেকো আমার ভালোবাসা আল্লাহ হাফেজ। তাইবা : তোমার কোন ভুল ছিল না কোন দোষ ছিল না যেমন একটা নিষ্পাপ শিশুর কোন দোষ থাকে না ঠিক তোমার আর তোমার ভালোবাসার কোন দোষ নেই কিন্তু ভুলটা আমার পারলে ক্ষমা করো। জানি আমার প্রতি একটা ঘৃণা সৃষ্টি হবে তোমার তবুও পারলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখো। সাকিব : ভুলটা কার আমি জানিনা কিন্তু পুরো দুনিয়া থেকে বিশ্বাস উঠে গেলো বিশেষ করে নিজের উপর থেকে আমি কাউকেই ভালোবাসা দিয়ে নিজের করে রাখতে পারলাম না তোমাকেও না তাইবা : এটা তোমার ভুল ধারণা। তোমার ভালোবাসার কোন শেষ নাই। যারা ছেড়ে ছেড়ে চলে যাচ্ছে তারা তোমার যোগ্য নয়। সাকিব : আমি ভালোবাসার যোগ্য নই। তাইবা : না তোমার এত ভালোবাসা পেয়েও তোমাকে ছেড়ে চলে যাওয়া মেয়েগুলোই তোমার যোগ্য নয় তুমি আর একটা নিষ্পাপ শিশু দুজনকে আমি একই মনে করছি। কারণ শিশুটার কোন দোষ থাকে না ঠিক তোমারও তেমন ভালো থেকো আল্লাহ হাফেজ। সাকিব : কারণ তারা জানে আমাকে দিয়ে জীবনে কিছু হবেনা। তাইবা : নিজেকে নিয়ে ভুল ভেবো না। সাকিব : আমি আর কখনোই কারো কাছ থেকে ভালোবাসা চাইবো না। তাইবা : আল্লাহ যদি চাই হয়তো তোমার জীবনে অন্য কাউকে এনে দিতে পারে। সাকিব : এই মন আর কাউকে গ্রহণ করবে না, এই পর্যন্ত যা ভুল করেছি সেগুলোর জন্য পারলে ক্ষমা করে দিও, ভালো থেকো নিজের যত্ন নিও আর আমার কলিজার টুকরা সামিয়ার যত্ন নিও। তাইবা : তাই বলে এসএমএস করা বন্ধ করে দিও না। সাকিব : আমি আর কাউকে বিরক্ত করতে চাইনা। তাইবা : বিরক্ত নয় বরং খোঁজখবর নেয়ার জন্য বলছি। সাকিব : খোজ খবর নেওয়ার জন্যই যোগাযোগ করেছিলাম কিভাবে যে আবার রিলেশনে জড়ালাম। তাইবা : চোখ দিয়ে পানি আর এসএমএস গুলো দিচ্ছো। সাকিব : তোমার চোখের মুল্যবান পানি আমার জন্য নষ্ট করতে হবেনা। নিজের যত্ন নিও আর আমার কলিজার টুকরা সামিয়া তোমার কাছে আছে ওর যত্ন নিও ভালো থেকো আল্লাহ হাফেজ। কিছুদিন পর সাকিব : সামিয়া কোথায়? তাইবা : কেনো? সাকিব : এখন কি সামিয়ার কথা ও জিজ্ঞেস করতে পারবো না? তাইবা : না। সাকিব : ঠিকাছে বিরক্ত করার জন্য আমাকে মাফ করে দিও আল্লাহ হাফেজ। তাইবা : ওকে তবে কি এখানেই শেষ? এটাই কি ভালোবাসা? কেউ কাউকে সত্যিকারের ভালোবাসলে সে এরকমভাবে সাস্তি কেনো পায়? এই দুনিয়াটা এতোটা নিষ্ঠুর কেনো? এখন এগুলোই ভাবে সাকিব। আর প্রতি ওয়াক্ত নামাজের মোনাজাতে কান্না করে করে আল্লকহকে এটাই বলে যে আল্লাহ এই নিষ্ঠুর দুনিয়াতে আর থাকতে পারছি না। তুমি দয়া করে আমাকে নিয়ে যাও। আমি আর কিছুই চাইবো না এটাই আমার শেষ চাওয়া। পুরো গল্পটা পড়ে কেমন লাগলো আপনার অনুভুতি গুলো মন্তব্য করে জানাবেন। আল্লাহ হাফেজ। ✍️ সিয়াম জামান ✍️

Translate to English
Post Image
3 Likes 4 Comments 41 Views

Comments (0)

Please Login to comment.