তেলের জন্য নাইজারে সেনা পাঠাচ্ছে আলজেরিয়া
নাইজারের তেল ও জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৫৩ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদেশে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিল আলজেরিয়ার পার্লামেন্ট।
প্রায় ৫… See moreতেলের জন্য নাইজারে সেনা পাঠাচ্ছে আলজেরিয়া
নাইজারের তেল ও জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৫৩ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদেশে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিল আলজেরিয়ার পার্লামেন্ট।
প্রায় ৫৩ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদেশে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে আলজেরিয়া। দেশটির পার্লামেন্ট নাইজারে সেনা পাঠানোর প্রস্তাবে সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন দিয়েছে। ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় মিসরকে সহায়তা করতে সেনা পাঠানোর পর এটিই আলজেরিয়ার প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশি সেনা মোতায়েনের উদ্যোগ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আলজেরিয়ার সেনারা উত্তর নাইজারের মাদামা এলাকায় মোতায়েন হবেন। এলাকাটি লিবিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত। সেখানে আগে ফ্রান্সের একটি সামরিক ঘাঁটি ছিল।
তেল স্থাপনা রক্ষায় সেনা মোতায়েন
আলজেরিয়ার এই অভিযানের মূল লক্ষ্য নাইজারে গুরুত্বপূর্ণ তেল ও জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এর মধ্যে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি সোনাত্রাকের কাফরা তেল প্রকল্পও রয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এই মিশন মূলত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য; সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়া এর উদ্দেশ্য নয়।
নাইজারের সামরিক সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার
২০২৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নাইজারের বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসে। এরপর দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা কমেছে। নাইজারের সামরিক সরকারকে হেলিকপ্টারসহ সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তাও করেছে আলজেরিয়া।
সাহেল অঞ্চলে নিরাপত্তা সংকট ও সীমান্তপারের সংঘাতের মধ্যে আলজেরিয়ার এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে নাইজারে দেশটির সামরিক উপস্থিতি বাড়বে এবং লিবিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
#Niger#Algeria#assidqnews#news#Africa
📌 মার্কিন বাহিনীর সাথে পালানো আফগানদের তালেবানের হাতে তুলে দিবে যুক্তরাষ্ট্র।
আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর সঙ্গে পালানো ১৫০ জনেরও বেশি আফগান নাগরিককে পাকিস্তানের মাধ্যমে আফগানিস্তানে ফেরত … See more📌 মার্কিন বাহিনীর সাথে পালানো আফগানদের তালেবানের হাতে তুলে দিবে যুক্তরাষ্ট্র।
আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর সঙ্গে পালানো ১৫০ জনেরও বেশি আফগান নাগরিককে পাকিস্তানের মাধ্যমে আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাঁদের অনেকেই অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন কিংবা মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য।
এদিকে এখন তাঁদের আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানো হলে তালেবান সরকারের শাস্তির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেরত পাঠানোর তালিকায় অন্তত একজন সমকামী ব্যক্তিও রয়েছেন, যিনি আফগানিস্তানে ফিরে গেলে তালেবানের হাতে মৃত্যুদণ্ডের আশঙ্কা করছেন। আগামী ২ নভেম্বর থেকে তাঁদের পাকিস্তানে পাঠানোর ফ্লাইট শুরু হতে পারে। পরে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ তাঁদের আফগানিস্তানে ফেরত পাঠাবে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আশ্রয়ে আফগানিস্তান ছাড়ার পর আবারও তালেবান শাসনের মুখে পড়তে যাচ্ছেন এসব মানুষ।
#Asia#Taliban#Afghanistan#America#assidqnews
Log In to leave a comment.