আব্বাসী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা সাফ্ফাহর চাচা ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আলী। সে ছিল অত্যন্ত কঠোর, নিষ্ঠুর এবং রক্তপাতপ্রবণ এক শাসক।
শাম থেকে বনু উমাইয়াকে উৎখাত করে সেখানে সেই আব্বাসীদের শাসনের ভিত্তি স্থাপন … See moreআব্বাসী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা সাফ্ফাহর চাচা ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আলী। সে ছিল অত্যন্ত কঠোর, নিষ্ঠুর এবং রক্তপাতপ্রবণ এক শাসক।
শাম থেকে বনু উমাইয়াকে উৎখাত করে সেখানে সেই আব্বাসীদের শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে।
শামে প্রবেশের পর সেখানকার প্রসিদ্ধ আলেম ইমাম আওযায়ী রহিমাহুল্লাহকে তিনি নিজের দরবারে হাজির হওয়ার জন্য বার্তা পাঠালেন।
আওয়াযী রহিমহুল্লাহ বুঝে যান আব্দুল্লাহ বিন আলীর উদ্দেশ্য। তাই তার আবেদনে সাড়া না দিয়ে তিনদিন পর্যন্ত আত্মগোপনে থাকেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর এড়িয়ে থাকা সম্ভব হলো না। তিনি আবদুল্লাহ ইবন আলীর দরবারে গিয়ে উপস্থিত হন।
আওযায়ী রহিমাহুল্লাহ পরে সেই ভয়ংকর সাক্ষাতের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছিলেন,
আমি তার সামনে প্রবেশ করলাম। দেখলাম, সে একটি খাটের ওপর বসে আছে। হাতে একটি বাঁশের ছড়ি। তার ডান পাশে ও বাঁ পাশে কালো পোশাক পরা সৈন্যরা দাঁড়িয়ে আছে। তাদের হাতে খোলা তরবারি, কোমরে লোহার খাপ।
আমি তাকে সালাম দিলাম।
সে আমার সালামের কোনো জবাব দিল না। বরং হাতে থাকা বাঁশের ছড়িটি দিয়ে মাটিতে টোকা দিতে লাগল। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
‘হে আওযায়ী! আমরা যা করেছি, অর্থাৎ উমাইয়া জালিমদের হাত থেকে মানুষ ও দেশকে মুক্ত করেছি, এটা কি জিহাদ ও সীমান্ত পাহারা দেওয়ার কাজ হিসেবে গণ্য হবে বলে তুমি মনে করো?’
আওযায়ী রহিমাহুল্লাহ জবাবে বললেন,
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে।”’
আমার কথা শেষ হতেই সে আগের চেয়ে আরও জোরে বাঁশের ছড়ি দিয়ে টোকা দিতে লাগল। তার চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৈন্যরাও একে একে নিজেদের তরবারির হাতল শক্ত করে মুঠোয় চেপে ধরল।
তারপর সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
‘হে আওযায়ী! বনু উমাইয়ার লোকদের রক্ত সম্পর্কে তুমি কী বল?’
আমি বললাম,
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
‘তিন কারণ ছাড়া মুসলমানের রক্ত ঝড়ানো বৈধ নয়। কেউ কোনো মুসলমানকে অন্যায়ভাবে হ*ত্যা করলে, বিবাহিত কেউ যিনা করলে এবং ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে।’
আমার উত্তর শুনে আব্দুল্লাহ বিন আলী আরও জোরে বাঁশের ছড়ি দিয়ে টোকা দিতে লাগল। তারপর বলল,
‘তাহলে তাদের সম্পদ সম্পর্কে তুমি কী বল?’
আমি বললাম,
‘যদি তাদের হাতে থাকা সম্পদ হারামভাবে অর্জিত হয়ে থাকে, তবে আপনার জন্যও তা হারাম। আর যদি তা বৈধভাবে অর্জিত হয়ে থাকে, তাহলে শরিয়তসম্মত কোনো উপায় ছাড়া তা আপনার জন্য বৈধ হবে না।’
এবার সে আগের চেয়েও প্রবলভাবে ছড়ি দিয়ে টোকা দিতে লাগল।
কিছুক্ষণ পর হঠাৎ বলল,
‘তাহলে কি তোমাকে বিচারকের পদে নিয়োগ দেব?’
আমি বললাম,
‘আপনার পূর্বসূরিরা আমাকে এ বিষয়ে কখনো কষ্ট দেননি। আর আমি চাই, তারা আমার প্রতি যে অনুগ্রহের রীতি শুরু করে গেছেন, সেটিই যেনো অব্যাহত থাকে।’
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
‘মনে হচ্ছে, তুমি এখান থেকে চলে যেতে চাইছ?’
আমি বললাম,
‘আমার ঘরে কিছু নারী-স্বজন রয়েছেন। তারা অসহায় এবং তাদের দেখাশোনা ও নিরাপত্তার প্রয়োজন। আমার কারণে তাদের মনও এখন উদ্বেগে ভারাক্রান্ত।’
কথাগুলো বলার পর আমি মনে মনে অপেক্ষা করতে লাগলাম—এই বুঝি আমার মাথা আমার সামনে মাটিতে গড়িয়ে পড়বে!
কিন্তু কিছুক্ষণ পর সে আমাকে বলল,
‘তুমি চলে যাও।’
আমি তখন সেখান থেকে বেরিয়ে এলাম।
কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ দেখলাম, পেছন থেকে আমিরের একজন দূত আমার কাছে ছুটে আসছে। তার হাতে ছিল দুইশ দিনার। সে এসে বলল, ‘আমির আপনাকে বলেছেন, এগুলো নিজের প্রয়োজনে খরচ করুন।’
আমি কিছুটা ভয় পেলাম, যদি এই অর্থও এখন গ্রহণ না করি তাহলে আব্দুল্লাহ বিন আলী আমার হয়তো ক্ষতি করবেন। তাই নিরুপায় হয়ে তা গ্রহণ করে নিলাম এবং সাথে সাথে পুরো দুশো দিনারই সদকা করে দিলাম।
যে তিনদিন আত্মগোপনে ছিলাম, সে তিনদিনই আমি রোজা রেখেছিলাম। আমির যখন বিষয়টি জানতে পারলেন আমাকে একদিন তার সাথে ইফতারের জন্য দাওয়াত করলেন। একজন জালেমের সাথে ইফতার করতে আমি সরাসরি অস্বীকৃতি জানালাম।
.
এইধরনের ব্যক্তিত্বের কারণে শামে ইমাম আওযায়ী রহিমাহুল্লাহের প্রভাব ছিলো অনেক বেশি। সেখানে তার প্রভাব ও কর্তৃত্ব ছিল এতটাই প্রবল যে, সাধারণ মানুষের কাছে তার নির্দেশ শাসকের নির্দেশের চেয়েও বেশি গুরুত্ব বহন করত।
একবার শামের এক গভর্নর তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেন। তখন তার সঙ্গীরা তাকে বলল, ‘তাকে ছেড়ে দিন। আল্লাহর কসম! উনি যদি মানুষকে আদেশ করেন আপনাকে হত্যা করে ফেলতে তাহলে শামবাসী নির্দ্ধিধায় তাই করবে’
ইমাম আওযায়ী ইন্তেকাল করার পর একবার সেই গভর্নর তার কবরের পাশে বসে বললেন, ‘আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন। আল্লাহর কসম! যে খলিফা আমাকে গভর্নর করে এখানে পাঠিয়েছেন তার থেকেও আমি আপনাকে বেশি ভয় করতাম!’
.
সূত্র : আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১০/১১৮, ১৫৭ হিজরীর আলোচনা দ্র.
এই কুখ্যাত লোকটার কি বিচার হবে না?
***
কুখ্যাত লোকটির নাম আলেপ উদ্দিন। রোজাদার নারীকে রোজা ভাঙ্গিয়ে ধর্ষণ করেছিল। বিলুপ্ত RAB-১১ তে ছিল আলেপ।
২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন … See moreএই কুখ্যাত লোকটার কি বিচার হবে না?
***
কুখ্যাত লোকটির নাম আলেপ উদ্দিন। রোজাদার নারীকে রোজা ভাঙ্গিয়ে ধর্ষণ করেছিল। বিলুপ্ত RAB-১১ তে ছিল আলেপ।
২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কালো মাইক্রোবাস নিয়ে যায়। এই খবর সেই শিক্ষার্থী পেয়ে পালিয়ে যায়। সেই শিক্ষার্থীকে না পেয়ে আলেপ তার স্ত্রী ও শ্যালককে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং RAB-১১ তে ৩দিন আটকে রাখে। স্ত্রীকে বাঁচাতে ধরা দেন সেই শিক্ষার্থী।
কথা ছিল স্ত্রীকে ছেড়ে দিবেন আলেপ উদ্দিন। কিন্তু আলেপ উদ্দিন স্বামীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়টা হচ্ছে রমজান মাসে রোজা ভাঙিয়েও ধর্ষণ করে আলেপ উদ্দিন।
২০১৯ সালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে সেই নারী মারা যান।
কুখ্যাত আলেপ এখন কারাগারে। কিন্তু, তার সহযোগিরা এখনও সক্রিয়। ভুক্তভোগীরা আলেপের বিচার নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।
ইতালির স্কুলগুলোতে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে বোরকা ও নিক্বাব পরিধান, পাশাপাশি প্রতিটি ক্লাসে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও সীমিত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন দেশটির কট্টর-ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।
… See moreইতালির স্কুলগুলোতে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে বোরকা ও নিক্বাব পরিধান, পাশাপাশি প্রতিটি ক্লাসে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও সীমিত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন দেশটির কট্টর-ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।
গত রবিবার নিজের জাতীয়তাবাদী রক্ষণশীল দল 'ব্রাদার্স অব ইতালি'র যুব সংগঠনের এক সভায় এই প্রস্তাবিত নীতিমালার বিবরণ দেন মেলোনি। তিনি জানান, এর পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে ইতালীয় ভাষা শেখা।
ফাঁস হলো ইরান-রাশিয়ার গোপন সহযোগিতার ‘মেগা পরিকল্পনা’
অর্থ, পারমাণবিক জ্বালানি, তেল-গ্যাস, উড়োজাহাজ শিল্প থেকে পরিবহন—বিভিন্ন খাতে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে ৪৪ পৃষ্ঠার একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছ… See moreফাঁস হলো ইরান-রাশিয়ার গোপন সহযোগিতার ‘মেগা পরিকল্পনা’
অর্থ, পারমাণবিক জ্বালানি, তেল-গ্যাস, উড়োজাহাজ শিল্প থেকে পরিবহন—বিভিন্ন খাতে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে ৪৪ পৃষ্ঠার একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছিল রাশিয়া। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল মেয়াদের এ পরিকল্পনায় দুই দেশের সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদি ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার নানা উদ্যোগের বিস্তারিত রয়েছে।
‘প্ল্যান ফর কো-অপারেশন বিটুইন দ্য রাশিয়ান ফেডারেশন অ্যান্ড দ্য ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ফর ২০২৪-২০২৬’ শিরোনামের রুশ ভাষার নথিটি ‘অফিশিয়াল ব্যবহারের জন্য’ চিহ্নিত। ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর রুশ পক্ষ এটি অনুমোদন করে। সম্প্রতি নথিটি হাতে পাওয়ার কথা জানিয়েছে ফক্স নিউজ ডিজিটাল। বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর দায়িত্ব এবং ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়সীমা এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
♦️ নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য
দুই দেশের আর্থিক সহযোগিতা বাড়ানো রোডম্যাপটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ৬৮ শতাংশ নিজস্ব মুদ্রায় সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। ২০২৬ সালের মধ্যে তা ৭১ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
একই সঙ্গে নিজস্ব মুদ্রায় করেসপন্ডেন্ট ব্যাংক হিসাব বাড়ানো এবং আন্তসীমান্ত লেনদেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়েও কাজ করার কথা রয়েছে। আর্থিক তথ্য আদান-প্রদানে স্বাধীন ব্যবস্থা ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে।
তবে নথিতে সরাসরি সুইফটকে পাশ কাটানো বা মার্কিন ডলারের আধিপত্য ভাঙাকে এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।
এর বাইরে রাশিয়ার ‘মির’ ও ইরানের ‘শেতাব’ পেমেন্ট ব্যবস্থাকে যুক্ত করার উদ্যোগও এগিয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেক্সেই ওভারচুক বলেন, দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় লেনদেন প্রায় পুরোপুরি নিজস্ব মুদ্রায় নিয়ে গেছে।
♦️ বুশেহরে রোসাটম
পারমাণবিক জ্বালানি খাতেও দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে জ্বালানি সরবরাহ ও কারিগরি সহায়তার দায়িত্ব রয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের। পাশাপাশি কেন্দ্রটির ২ ও ৩ নম্বর ইউনিটের নির্মাণকাজও সহযোগিতা পরিকল্পনার অংশ।
তেল-গ্যাস খাতেও রুশ অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। রোডম্যাপে ইরানের শাদেগান, কিশ ও নর্থ পার্স তেল-গ্যাসক্ষেত্রে সম্ভাব্য রুশ অংশগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। কয়েকটি প্রকল্পের অর্থায়নের তথ্য নথিতে ‘গোপনীয়’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
♦️ ইরানে তৈরি হতে পারে রুশ বিমানের যন্ত্রাংশ
পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে উড়োজাহাজ খাতেও ইরানের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে মস্কো। রোডম্যাপে রুশ বিমানের কোন কোন যন্ত্রাংশ ইরানে মেরামত বা উৎপাদন করা সম্ভব, তা নির্ধারণ এবং সক্ষম ইরানি প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করার নির্দেশনা রয়েছে।
রাশিয়ার বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা রোসাভিয়াতসিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ইরানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সনদ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষামূলক যন্ত্রাংশ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ইরানে রুশ বিমানের যন্ত্রাংশ উৎপাদন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে—এমন তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
♦️ পারস্য উপসাগর পর্যন্ত পরিবহন যোগাযোগ
পরিবহন খাতেও বড় পরিকল্পনা রয়েছে রাশিয়া ও ইরানের। রোডম্যাপে আজারবাইজান সীমান্ত থেকে ইরানের ভেতর দিয়ে পারস্য উপসাগরের বন্দরগুলোর দিকে রুশ মানের রেলপথ তৈরির প্রস্তাব রয়েছে।
এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উত্তর-দক্ষিণ পরিবহন করিডরের গুরুত্বপূর্ণ ‘অনুপস্থিত সংযোগ’ হিসেবে পরিচিত প্রায় ১৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ রাশত-আস্তারা রেলপথের কাজ এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসে প্রকল্পটির প্রকৌশল জরিপ শুরু করে রাশিয়া ও ইরান।
দুই দেশ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে একটি ‘সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্ব’ চুক্তিতেও সই করে। ওই চুক্তিতে পরিবহনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা সম্প্রসারণের কথা রয়েছে।
তবে ২০২৪ সালে তৈরি রোডম্যাপটির সব প্রকল্প বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা নথিটি থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় না। পরবর্তী সময়ে প্রকাশ্যে আসা তথ্য থেকে দেখা যায়, পরিকল্পনায় থাকা বেশ কয়েকটি উদ্যোগের অগ্রগতি হয়েছে।
সূত্র: ফক্স নিউজ ডিজিটাল
#assidqnews#iran#Russia news
📢 Official Verification Badge — Now Open for Applications!
Hello everyone,
We're excited to introduce a new feature — starting now, any user can directly apply for the Official Verified Badge (✅) … See more📢 Official Verification Badge — Now Open for Applications!
Hello everyone,
We're excited to introduce a new feature — starting now, any user can directly apply for the Official Verified Badge (✅) on their account. Once approved, the badge will appear on your profile, posts, and comments, showing that your account is authentic and trustworthy.
✅ Eligibility Requirements
To get your application approved, you must meet the following conditions:
1️⃣ Your account must have at least 313 followers
2️⃣ Your account must be at least 1 month old
3️⃣ Your profile picture and name must be real/authentic (cartoons, logos, or fake names are not acceptable)
4️⃣ The documents submitted during application (NID/Passport/Driving License) must be genuine and valid
5️⃣ The name on your document must exactly match your profile name — no discrepancies allowed
6️⃣ Your account must be active — with regular posts/activity
7️⃣ Your account must have no history of community guideline violations, spam, or reports
8️⃣ You must not have multiple duplicate/fake accounts under the same person or organization
9️⃣ Your identity must be verifiable through the reason and links you provide (news articles, Wikipedia, other social media accounts, etc.)
🔟 If your application is rejected, you must wait until the cooldown period ends before reapplying
⚠️ Submitting false information or fake documents may result in a permanent account ban.
📝 How to Apply?
Log in to your account
Go to Settings
Tap on "Apply for Verification" (or go directly to the /verification page)
Fill in the form with your full name, category, reference links (if any), and reason for applying
Upload the required documents (image format, max 5MB)
Click Submit and wait — you'll be notified once your application has been reviewed ✅
Best of luck to everyone! 💙
#Verification#OurSocial#VerifiedBadge
Log In to leave a comment.