📌 জর্ডানে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে উন্মুক্ত চিঠি।
➡️ জর্ডানের শত শত রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট নাগরিক একটি উন্মুক্ত চিঠিতে দেশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
… See more📌 জর্ডানে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে উন্মুক্ত চিঠি।
➡️ জর্ডানের শত শত রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট নাগরিক একটি উন্মুক্ত চিঠিতে দেশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
➡️ চিঠিতে বলা হয়েছে, জর্ডানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দেশের নিরাপত্তা, রাজনীতি ও অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে এবং এমন এক যুদ্ধে দেশটিকে জড়িয়ে ফেলছে, যার অংশ হতে জর্ডান চায় না।
মতপ্রকাশের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিচিত জর্ডানে এ ধরনের প্রকাশ্য উদ্যোগ খুবই বিরল।
অনেক স্থানীয় গণমাধ্যম চিঠিটি প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং আয়োজকদের দাবি, স্বাক্ষরকারীদের কারাবন্দি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
➡️ এদিকে, জর্ডানে মোতায়েন থাকা প্রায় ৪,০০০ মার্কিন সেনাকে লক্ষ্য করে ইরানের হামলার কারণে জনমনে উদ্বেগ বেড়েছে। প্রায়ই সাইরেন বাজছে, আর প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বেসামরিক এলাকায় পড়ে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করছে।
➡️ চলতি সপ্তাহে জর্ডানের পার্লামেন্টে এক আইনপ্রণেতা জর্ডানের মাটিতে নিহত মার্কিন সেনাদের প্রতি সমবেদনা জানানোর প্রস্তাব দিলে অন্য সদস্যরা তার তীব্র বিরোধিতা করেন।
➡️ আরেক আইনপ্রণেতা মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে "শিশু, নারী ও বয়স্ক মানুষকে হত্যা করার" অভিযোগ তোলেন।
তবে এসব সমালোচনা সত্ত্বেও, জর্ডান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোট বজায় রেখেছে। এর একটি বড় কারণ হলো গত বছর ওয়াশিংটন জর্ডানকে প্রায় ১.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দিয়েছে।
➡️ একই সময়ে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে জর্ডানের পর্যটন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যটন থেকে আসা দেশের মোট আয়ের প্রায় ১৮ শতাংশ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সূত্র: The New York Times
#Jordan#USA#MiddleEast#assidqnews#Politics
Log In to leave a comment.