ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে কমেছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর আগে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নির্ভুল-নির্দেশিত অস্ত্রের মোট মজুতের প্রায় এক-তৃতীয়া… See moreইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে কমেছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর আগে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নির্ভুল-নির্দেশিত অস্ত্রের মোট মজুতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ব্যবহার করে ফেলেছে।
➡️ সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টরগুলোর ওপর।
আনুমানিক ৩৬০টি THAAD ইন্টারসেপ্টরের মধ্যে ১৯০–২৯০টি, অর্থাৎ সর্বোচ্চ প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যবহার হয়ে গেছে।
➡️ SM-3 ইন্টারসেপ্টরের ক্ষেত্রেও অর্ধেকের বেশি মজুত ব্যবহৃত হয়েছে।
মোট প্রায় ৪১০টির মধ্যে ১৩০–২৫০টি ইতোমধ্যে খরচ হয়েছে বলে হিসাব করা হয়েছে।
➡️ প্যাট্রিওট ইন্টারসেপ্টরের মজুতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
যুদ্ধের আগে থাকা প্রায় ২,৩৩০টির মধ্যে ১,০৬০–১,৪৩০টি, অর্থাৎ সর্বোচ্চ প্রায় ৬১ শতাংশ ব্যবহার করা হয়েছে।
➡️ শুধু প্রতিরোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র নয়, যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার হামলা চালানোর অস্ত্রের মজুতও বড় আকারে কমেছে।
এর মধ্যে ১,০০০টির বেশি টোমাহক এবং ১,১০০টির বেশি JASSM ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
➡️ তুলনামূলকভাবে কম মজুত থাকা PrSM ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরো স্টকই ব্যবহার করা হয়েছে।
যুদ্ধের আগে থাকা আনুমানিক ৯০টির মধ্যে ৪০–৭০টি ইতোমধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
➡️ এসব ব্যবহারের ফলে বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর ও দূরপাল্লার নির্ভুল-নির্দেশিত অস্ত্রের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত পুনরায় পূরণ করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: ABC News ও Center for Strategic and International Studies (CSIS)
#USA#IranWar#Missiles#MilitaryStockpile#AsSidqNews
Log In to leave a comment.