ট্রাম্প: যতদিন প্রয়োজন ততদিন ইরান যুদ্ধ চলবে
ইরাকে থাকা কুর্দি মিলিশিয়াদের ইরানে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছি। কারণ তারা ইরানে প্রবেশ করলে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়াবে।
"আমরা কুর্দিদের সঙ্গে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখি, যেমনটি আপনারা জানেন। কিন্তু আমরা চাই না যে যুদ্ধটি ইতিমধ্যে যতটা জটিল, তার চেয়েও বেশি জটিল হয়ে উঠুক।”
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ করার আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও তিনি কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে স্পষ্টভাবে লড়াইয়ে অংশ না নিতে বলেছেন।
তিনি বলেন, “আমি চাই না কুর্দিরা সেখানে যাক। আমি চাই না কুর্দিরা আহত হোক বা নিহত হোক।”
ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে এই যুদ্ধ ইরানের ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে গড়ে দিতে পারে এবং যুদ্ধ শেষ হলে মানচিত্র আগের মতো নাও থাকতে পারে।
ইরানের সীমান্ত অপরিবর্তিত থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটা আমি বলতে পারছি না। সম্ভবত থাকবে না।”
প্রেসিডেন্ট আরও ইঙ্গিত দেন যে ওয়াশিংটন তেহরানে রাজনৈতিক পরিবর্তন চাইতে পারে। তিনি বলেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র এমন একজন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে চায় “যিনি ইরানকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন না।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, মার্কিন হামলায় ইরানের নেতৃত্ব কাঠামো গুরুতরভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়েছি এবং দ্বিতীয় স্তরের নেতৃত্বকেও সরিয়ে দিয়েছি।” এখন ইরান তাদের “তৃতীয় বা চতুর্থ স্তরের নেতৃত্বের” দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
ট্রাম্পের মতে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সুরক্ষিত করতে মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি ভবিষ্যতের কোনো পর্যায়ে বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে এখনই নয়।
“কোনো এক সময় হয়তো আমরা তা করব, সেটি খুব ভালো বিষয় হবে। কিন্তু এখন আমরা তাদের শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিচ্ছি।”
রাশিয়ার ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, মস্কো ইরানকে সহায়তা করছে—এমন কোনো ইঙ্গিত তিনি পাননি।
সংঘাত কতদিন চলবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুদ্ধ চলবে “যতদিন প্রয়োজন।” তার দাবি, ইরানের সামরিক শক্তি এখন “প্রায় অস্তিত্বহীন।”
Comments
Total Comments: 0
No comments yet.
Leave a Comment
Login to leave a comment.