টিটিপির একটা অংশ ১ যুগ আগে পশতুনদের জনবসতিতে পাকিস্তানি বাহিনীর এয়ারস্ট্রাইকের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে এক সামরিক স্কুলের অনুষ্ঠানে মাহলা চালায়। এতে তাদের মাধ্যমে হোক, অথবা ক্রসফায়ারে পাকিস্তানী বাহিনীর মাধ্যমেই হোক, ওই স্কুলের অনেক শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীও হতাহত হয়। এতে ইমারাহ পর্যন্ত নিন্দা জানায়। এবং একিউ তাদের এরকম মাহলা থেকে সতর্ক হতে বলে।
ওই যে একবার, এরপর থেকে যতবার পাক-বাহিনী সিভিলিয়ানদের এ্যাটাক করে, পাক-বাহিনীর তথাকথিত ভক্তরা ওই এক কাহিনী তুলে ধরে৷ মানে এরা একবার দোষ করসে, এখন এত বছর ধরে ওরা খালি ওই একটারই প্রতিশোধ নিয়ে যাইতেসে, অথচ শুরু করসিলো পাক-বাহিনী, বারবার একই কাজ করতেসে পাক-বাহিনী। কিন্তু ভক্তরা জাস্টিফাই করে কেমনে? এই হইতেসে এদের দাজ্জালী ছাপড়িপনা।
পাক-বাহিনীর এসব জুলুম নিয়ে বললেই, আমরা হয়ে যাই শিশু হত্যাকারী টিটিপির সাপোর্টার। মোটেও আমরা কোনো অন্যায় হত্যার পক্ষে নই, সেটা টিটিপি করুক, আর স্বয়ং ইমারাহই করুক। সকল জুলুমের বিপক্ষে আমরা, যারা জুলুম করে এরপর অনুতপ্ত হয়, বারবার তা না করে, আমরা তাদের প্রতি সহানুভূতি রাখি, কিন্তু অহংকারীদের প্রতি না। কিন্তু এরপরও কিছু নীচু শ্রেনীর মানুষ এই সহজ ইসলামী উসূলটা বুঝতে পারে না। তাদের কাছে তারা যেমন দলকানা, তারা মনে করে বাকিরাও দলকানা, কারো পক্ষে বলা বা সহানুভূতি রাখা মানে তাদের সবকিছু সমর্থন করা, অথচ মাসূম তো কেবল নবীগণ (আ), সমালোচনার উর্ধ্বে তো কেবল সাহাবাগণ।
Comments
Total Comments: 0
No comments yet.
Leave a Comment
Login to leave a comment.